📌 দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে শরণার্থী নেতা রাফায়েল বাহেবোয়া আতঙ্কে লুকিয়ে আছে। মার্চ অ্যান্ড মার্চ আন্দোলনের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঘোষণায় শরণার্থীরা নতুন হামলার ভয়ে আতঙ্কিত। ২৬ বছর আগে কঙ্গো থেকে এসেও এখনো তারা নিরাপদ নেই।
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে শরণার্থী নেতা রাফায়েল বাহেবোয়া আতঙ্কে লুকিয়ে আছে। তিনি বলেছেন, “আমি এখন লুকিয়ে আছি কারণ তারা বলছে আমাকে হত্যা করবে শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য।” ২৬ বছর আগে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ দ্য কঙ্গো (ডিআরসি) থেকে এসেও বাহেবোয়া এখনো দক্ষিণ আফ্রিকায় নিরাপদ নেই। তিনি বলেন, এই বছর ভিন্ন ধরনের ভয় তৈরি হয়েছে। মার্চ অ্যান্ড মার্চ নামের একটি প্রতিবেশী-বিরোধী আন্দোলন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঘোষণা করেছে। এই আন্দোলনটি শরণার্থীদের দেশ ত্যাগের দাবি করেছে এবং তাদের দাবি পূরণ না হলে আরও প্রতিবাদ করার হুমকি দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা**: মার্চ অ্যান্ড মার্চ আন্দোলন ঘোষণা করেছে, অনিয়মিত অভিবাসীদের দেশ ত্যাগের জন্য।
- 📌 **রাফায়েল বাহেবোয়া লুকিয়ে আছে**: ডিআরসি থেকে এসা ২৬ বছর পরও তিনি আতঙ্কিত, “আমাকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে”।
- 📌 **ডারবান রিফিউজি ক্যাম্পে ২৭৪ জন শরণার্থী**: তাদের মধ্যে ১৫০ জন ডিআরসি ও বুরুন্ডি থেকে এসেছে, বাকি ১৪ জন অন্যান্য দেশ থেকে।
- 📌 **তুবার্কুলোসিসে মারা যান একজন**: ক্যাম্পে থাকাকালীন একজন শরণার্থী তুবার্কুলোসিসে মারা যান, খাদ্য ও চিকিৎসা অ্যাক্সেসের অভাব ছিল।
- 📌 **পুলিশের প্রতিক্রিয়া নেই**: শরণার্থীরা বলেন, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে অস্বীকার করে।
- 📌 **লিন্ডেলা ফ্যাসিলিটিতে স্থানান্তর**: সরকার ক্যাম্প পরিষ্কার করে, শরণার্থীদের ডারবান থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দূরে গাউটেংের লিন্ডেলা ফ্যাসিলিটিতে স্থানান্তর করেছে।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে শরণার্থী নেতা রাফায়েল বাহেবোয়া ২৬ বছর আগে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ দ্য কঙ্গো (ডিআরসি) থেকে এসেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি এখন লুকিয়ে আছি কারণ তারা বলছে আমাকে হত্যা করবে শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য।” বাহেবোয়া বলেছেন, এই বছর ভিন্ন ধরনের ভয় তৈরি হয়েছে। মার্চ অ্যান্ড মার্চ নামের একটি প্রতিবেশী-বিরোধী আন্দোলন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঘোষণা করেছে। এই আন্দোলনটি শরণার্থীদের দেশ ত্যাগের দাবি করেছে এবং তাদের দাবি পূরণ না হলে আরও প্রতিবাদ করার হুমকি দিয়েছে।
বাহেবোয়া এবং অন্যান্য শরণার্থীরা বলেছেন, নথিভুক্ত বা অনিয়মিত অভিবাসীদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তারা বলেন, তারা যে নিরাপত্তা খোঁজছিলেন, সেটি পাননি। ডারবানের ওয়ারউইক স্ট্রিট মার্কেটে কাজ করা ছয়জন শরণার্থীকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। বাহেবোয়া বলেন, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে অস্বীকার করে। “পুলিশ বলেছে আমরা মামলা করতে পারব না কারণ আমরা বিদেশী। আমাদের যেতে হয় কোনো জায়গায়,” তিনি দাবি করেছেন।
মার্চ অ্যান্ড মার্চ আন্দোলন তাদের প্রচারণাকে “অনিয়মিত অভিবাসন, অপরাধ এবং দক্ষিণ আফ্রিকান সম্প্রদায়ের অবনতি” বিরোধী বলে বর্ণনা করেছে। তারা দাবি করেছে, সরকারের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট নয়। এই আন্দোলনের নেতারা বলেছেন, তাদের লক্ষ্য হল অনিয়মিত অভিবাসী, না সাধারণ বিদেশী। তবে শরণার্থীরা বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে হামলা চলতে থাকে।
মধ্য সেপ্টেম্বরে, সরকার ডারবান রিফিউজি রিসেপশন সেন্টারের বাইরে তৈরি হওয়া ক্যাম্প পরিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়। শরণার্থীদের দুটি বিকল্প দেওয়া হয়: তাদের আগের সম্প্রদায়ে ফিরে যাওয়া বা গাউটেংের লিন্ডেলা ফ্যাসিলিটিতে স্থানান্তর করা, যা ডারবান থেকে প্রায় ৮৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
"আমি এখন লুকিয়ে আছি কারণ তারা বলছে আমাকে হত্যা করবে শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা (ওয়ারউইক স্ট্রিট মার্কেট, চে গুয়েভারা রোড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাফায়েল বাহেবোয়া (শরণার্থী নেতা), মার্চ অ্যান্ড মার্চ আন্দোলনের নেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ বছর (বাহেবোয়ার দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস), ২৭৪ জন (ক্যাম্পে শরণার্থী), ১৫০ জন (ডিআরসি ও বুরুন্ডি থেকে), ৩০ সেপ্টেম্বর (মর্যাদা-মৃত্যুর সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!