📌 সৌদি আরব ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে আটক যাত্রীদের ফেরত পাঠানোর অনুমতি দেনি। ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে দুবাই থেকে ইসরায়েল যাচ্ছিল ১৮০ যাত্রী, কিন্তু ককপিটে হামলার পর বিমান জরুরি অবতরণ করে সৌদি আরবে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, সহকারী পাইলট পাইলটকে আঘাত করে বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন
সৌদি আরবের আকাশসীমা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েলের অনুরোধ। ইসরায়েলের আটক যাত্রীদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সৌদি আরবে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে রিয়াদ এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার দু’জন নিরাপত্তা কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে দুবাই থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল ১৮০ জন যাত্রী। কিন্তু বিমানে ককপিটে হামলার পর বিমান জরুরি অবতরণ করে সৌদি আরবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরব প্রত্যাখ্যান: ইসরায়েলের অনুরোধে সৌদি আরবে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি সামরিক বিমান পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
- 📌 ককপিটে হামলা: ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সহকারী পাইলট পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
- 📌 জরুরি অবতরণ: বিমান জর্ডান-সৌদি সীমান্তের কাছে থেকে ৩৩ হাজার ফুট থেকে ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়।
- 📌 ইসরায়েলি যাত্রীরা নিয়ন্ত্রণ: যাত্রীরা সহকারী পাইলটকে ধরে ফেলে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- 📌 মার্কিন চাপ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন।
📰 বিস্তারিত
ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান দুবাই থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। বিমানে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিল। উড্ডয়নের প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ককপিটে দু’জন পাইলটের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ইসরায়েলি যাত্রীরা জানান, তারা বিমানের সামনে থেকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পান। ককপিটের দরজা খুললে রক্ত দেখতে পান। মিয়াম নামের একজন ইসরায়েলি যাত্রী জানান, একজন পাইলট ফোল্ডিং ছুরি দিয়ে অন্য পাইলটকে আঘাত করেন। তারা মনে করেন, হামলাকারী পাইলট বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করছিলেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইসরায়েলি যাত্রীরা এবং বিমান ক্রু ককপিটে ঢুকে হামলাকারী পাইলটকে কাবু করেন। যাত্রীরা জানান, তারা মনে করেছিল যে আর জীবিত ফিরতে পারবেন না। বিমানটি জর্ডান-সৌদি সীমান্তের কাছে পৌঁছানোর সময় উচ্চতা ৩৩ হাজার ফুট থেকে ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। বিমান ক্রু এবং যাত্রীরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করান।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সৌদি আরবে আটকে থাকা যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের সামরিক বিমান সৌদি আরবে প্রবেশের অনুমতি পায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তবে সৌদি আরব জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে কোনো স্পষ্ট পথ না থাকলে তারা এই চুক্তিতে যোগ দেবেন না।
"বিমানের সহকারী পাইলট প্রথমে পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর তিনি বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।"
সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েলি ও সৌদি কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো বৈঠক হয়নি। তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের সময় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সৌদি কর্মকর্তা এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (তাবুক বিমানঘাঁটি), দুবাই, জর্ডান-সৌদি সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ডোনাল্ড ট্রাম্প, সৌদি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, ইসরায়েলি যাত্রীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮০ জন যাত্রী, ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা, ১৭ হাজার ফুট উচ্চতা, ৭৩৭ মডেল বিমান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!