📌 সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ ঘোষণা দিয়েছেন যে কোনো অবস্থাতেই দেশটি ইসরাইলের উপস্থিতি মেনে নেবে না। তিনি ইসরাইলের বারবেরা বন্দরে নৌঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা এবং সোমালিল্যান্ডের স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছেন
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক সংকটে সোমালিয়াকে জড়ানোর যেকোনো চেষ্টাকে ব্যর্থ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি ইসরাইলের উপস্থিতি সোমালিয়ায় কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবেন না বলে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘কোনো অবস্থাতেই আমাদের দেশ ইসরাইলের উপস্থিতি মেনে নেবে না।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ ঘোষণা দিয়েছেন, সোমালিয়ায় ইসরাইলের কোনো উপস্থিতি মেনে নেবেন না
- 📌 ইসরাইল বারবেরা বন্দরে নৌঘাঁটি স্থাপন এবং সোমালিল্যান্ডের বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা প্রতিহত করার জন্য সোমালিয়া প্রস্তুত
- 📌 প্রেসিডেন্ট মোহামুদ ইসরাইলের পদক্ষেপকে ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ প্রকল্পের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন
- 📌 ইসরাইল ২০২৫ সালে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, কিন্তু সোমালিয়া এখনো অঞ্চলটিকে নিজস্ব বলে দাবি করে
- 📌 সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের স্বঘোষিত রাষ্ট্র সোমালিল্যান্ডের বন্দর শহর বারবেরার অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই শহরটি ইয়েমেনের বিপরীত উপকূলে অবস্থিত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর কাছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইরানের কাছে ইসরাইলের উপস্থিতি বৃদ্ধি করবে বলে মনে করা হয়। প্রেসিডেন্ট মোহামুদ বলেছেন, ‘ইসরাইলের পদক্ষেপের কারণে আমাদের দেশের সামনে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, আমরা তা মোকাবিলা করব।’
মোহামুদ ইসরাইলের পরিকল্পনা ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ প্রকল্পের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন। এই প্রকল্পের আওতায় ইসরাইলের বর্তমান সীমান্তের বাইরের ভূখণ্ডও তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার কথা বলা হয়। কিছু সংস্করণে নীল নদ থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ভূখণ্ডও ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই পরিকল্পনার সাথে নিজেকে যুক্ত করেছেন। তার মন্তব্যে আরব দেশগুলো নিন্দা জানিয়েছিল।
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘দেশটি আন্তর্জাতিক আইন মানে না।’ তিনি ইসরাইলের সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ারও সমালোচনা করেছেন। মোহামুদ বলেছেন, ‘ইসরাইল ছাড়া আর কোনো দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি ওই অঞ্চলের বাসিন্দারাও ইসরাইলি উপস্থিতির পুরোপুরি বিরোধী।’ সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং তিন দশক ধরে নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা চালাচ্ছে।
"কোনো অবস্থাতেই আমাদের দেশ ইসরাইলের উপস্থিতি মেনে নেবে না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সঙ্কটে সোমালিয়াকে জড়ানোর যেকোনো চেষ্টাও আমরা প্রতিহত করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বারবেরা (সোমালিল্যান্ড), সোমালিয়া, বাব আল-মান্দাব প্রণালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯১ (সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতা ঘোষণা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!