📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং: ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছার আগে কীভাবে হারিয়েছিলেন সবকিছু?

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং: ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছার আগে কীভাবে হারিয়েছিলেন সবকিছু?

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছার আগে রাজনৈতিক পতন, পরিবারের পতন ও গ্রামে কঠোর জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে গেছেন। তার বাবাকে দল-বিরোধী অভিযোগে গ্রামে নির্বাসিত করা হয়, তিনি নিজেও গ্রামে কৃষিকাজে জোরালো অংশ নেন।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার বর্তমান ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছার আগে জীবনের সবকিছু হারিয়েছিলেন। ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে চীনের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি, কিন্তু তার পথে ছিল রাজনৈতিক পতন, পরিবারের পতন এবং গ্রামে কঠোর জীবনযাপনের চ্যালেঞ্জ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৯৬০-এর দশকে** শি জিনপিং-এর বাবা শি ঝংজুনকে 'দল-বিরোধী' অভিযোগে গ্রামে নির্বাসিত করা হয় এবং দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
  • 📌 **১৫ বছর বয়সে** শি জিনপিং গ্রামে পাঠানো হয় এবং সাত বছর ধরে পাহাড়ি গুহায় কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করেন।
  • 📌 **গ্রামে থাকার সময়** তিনি বলেছিলেন, "ট্রেনের সবাই কাঁদছিল। আমিই একমাত্র হাসছিলাম... যদি আমি বেরিয়ে আসতে না পারতাম, তাহলে আমিও কাঁদতাম।"
  • 📌 **গ্রামে কাটানো সাত বছর** ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়, যেখানে তিনি সার বহন, নালা খনন এবং কৃষিকাজ করতেন।
  • 📌 **২২ বছর বয়সে** তিনি চীনের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে রাজনীতিতে উন্নতি করেন।

📰 বিস্তারিত

শি জিনপিং-এর জীবনের শুরু ছিল অত্যন্ত সুবিধাজনক। ১৯৫৩ সালে বেইজিং-এ জন্মগ্রহণকারী তার বাবা শি ঝংজুন ছিলেন একজন কমিউনিস্ট বিপ্লবী, যিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে দলের ঊর্ধ্বতন নেতা ও উপ-প্রধানমন্ত্রী হন। শি জিনপিং ছিলেন তার ষষ্ঠ সন্তান। শৈশবে তিনি নামকরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন যা অধিকাংশ পরিবারের জন্য সহজলভ্য ছিল না।

কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার পরিবারের বিরুদ্ধে চলে যায়। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে, শি ঝংজুনের বিরুদ্ধে 'দল-বিরোধী' চক্রের অংশ হওয়ার অভিযোগ করা হয়। তাকে গ্রামাঞ্চলে একটি কারখানায় কাজ করার জন্য নির্বাসিত করা হয় এবং দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। শি জিনপিং-এর পিতার এই অবস্থান তাকে 'প্রতিবিপ্লবী' হিসেবে চিহ্নিত করে। কিশোর শি-কে জোর করে একটি পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তৎকালীন নেতা মাও জেদং আহ্বান জানান গ্রামে গিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে শেখার।

১৫ বছর বয়সে শি জিনপিং শহরের লাখো ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে গ্রামাঞ্চলের দিকে রওনা হন। তিনি চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের লিয়াংজিয়াহে নামে এক প্রত্যন্ত পাহাড়ি গ্রামে এসে পৌঁছান। সেখানে সাত বছর ধরে তিনি একটি ইয়াওদং—অর্থাৎ পাহাড়ের গুহা-বাসস্থানে—কৃষিকাজ, সার বহন এবং নালা খননের কাজ করে জীবনযাপন করেন। তিনি বলেছেন, "আচার করা সবজি আমার প্রিয় খাবার হয়ে উঠেছিল। আজও আমি সেই দিনগুলোর কথা সযত্নে স্মরণ করি।"

গ্রামে থাকার সময় তিনি কাজের চাপ দেখে 'বিস্মিত' হয়েছিলেন। শুরুতে তিনি ক্ষুধা ও উকুনের উপদ্রবে ভুগেছিলেন, কিন্তু দুপুরের খাবারের আগে ধূমপানের বিরতিতে স্বস্তি খুঁজে পেয়েছিলেন। এই কঠোর জীবনযাপন তাকে পরবর্তী জীবনে শক্তিশালী করে তোলে।

"ট্রেনের সবাই কাঁদছিল। আমিই একমাত্র হাসছিলাম... যদি আমি বেরিয়ে আসতে না পারতাম, তাহলে আমিও কাঁদতাম। যদি থেকে যেতাম, আমি জানিও না যে আমি এখনো বেঁচে থাকতাম কি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বেইজিং (জন্মস্থান), শানসি প্রদেশের লিয়াংজিয়াহে (গ্রাম), চিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় (শিক্ষা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শি জিনপিং, শি ঝংজুন, মাও জেদং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৫৩ (জন্মবছর), ১৫ (বয়স), ৭ (বছর গ্রামে), ২২ (বয়সে চিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি), ১৪ (বছর প্রেসিডেন্ট হিসেবে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖