📌 দিল্লির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভারত সরকারের দমন-পীড়ন প্রতিবাদে বাংলাদেশের শাহবাগে মশালমিছিল বের হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের নেতারা আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি জানান
শাহবাগে মশালমিছিলের মাধ্যমে ভারতের দিল্লিতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সরকারের দমন-পীড়ন প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের যুব-ছাত্র সংগঠন দুটি। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শাহবাগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি ও ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লির আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি: বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা শাহবাগে সমাবেশ করে ভারতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সমর্থন জানান।
- 📌 সভাপতিত্ব ও বক্তৃতা: সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, ভারতের দমন-পীড়ন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দাবির বিরুদ্ধে।
- 📌 বিপ্লবী আন্দোলনের আহ্বান: রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণ-আন্দোলন গড়ে তোলাই জনগণের বিজয়ের একমাত্র পথ।
- 📌 মুক্তির দাবি ও সমর্থন: ভারত সরকারকে আন্দোলনকারীদের মুক্তি দিতে এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।
- 📌 মশালমিছিল: সমাবেশ শেষে শাহবাগ থেকে মশালমিছিল বের হয়, যেখানে নেতা-কর্মীরা ভারতের আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
📰 বিস্তারিত
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা সমাবেশ করে ভারতের দিল্লিতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান। সমাবেশে রাশেদ শাহরিয়ার সভাপতিত্ব করেন, যিনি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মোজাম্মেল হক, যিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক।
রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, ভারতের আন্দোলনকারীদের প্রতি দমন-পীড়ন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দাবির বিরুদ্ধে। তিনি উল্লেখ করেন, এই ঘটনা সমকালীন বিশ্ব ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সংকটকে উন্মোচিত করেছে। তিনি আরও বলেন, জনগণের বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে হবে বিপ্লবী গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে।
সমাবেশে নওশিন মুসতারি সাথী (কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও ঢাকা নগর শাখার সভাপতি), পঙ্কজনাথ সূর্য (কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা নগর শাখার সহসভাপতি) এবং রবিউল করিম (বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের ঢাকা নগর শাখার আহ্বায়ক) বক্তব্য রাখেন। তারা ভারত সরকারকে আন্দোলনকারীদের মুক্তি দিতে এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে শাহবাগ থেকে মশালমিছিল বের হয়, যেখানে নেতা-কর্মীরা ভারতের আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
"গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনা ভারতের দাবির আড়ালে থাকা বাস্তবতাকে উন্মোচিত করেছে। বিদ্যমান ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিপ্লবী গণ-আন্দোলন গড়ে তোলাই জনগণের বিজয়ের একমাত্র পথ।"
"আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি এবং তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। ভারতের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনগণকে তাদের সংগ্রামে আমরা সমর্থন করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ শাহরিয়ার, মোজাম্মেল হক, নওশিন মুসতারি সাথী, পঙ্কজনাথ সূর্য, রবিউল করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬:৩০ (সমাবেশের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!