📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফর করেন এবং শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠকে ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্ক জোরদার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয় আলোচনা করেন। সফরটি গোপন ছিলো এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সম্পন্ন হয়। সফরটি ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি ও ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত ২৯শে সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি ব্যক্তিগত বিমানে করে গোপন সফরে যান। সেখানে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে গণমাধ্যমের নজর থেকে বাইরে বৈঠক করেন এবং কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ছাড়াই ইসরায়েলে ফিরে আসেন। সফরটি সম্পন্ন হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরই নেতানিয়াহুর কার্যালয় সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এই বৈঠকে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপন সফর: নেতানিয়াহু ব্যক্তিগত বিমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপন সফরে যান এবং গণমাধ্যমের নজর থেকে বাইরে বৈঠক করেন।
- 📌 বৈঠকের বিষয়: ইসরায়েল ও আমিরাতের সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল।
- 📌 ২০২৩ সালের হামলার সন্দেহ: হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছিল, যা নেতানিয়াহু অস্বীকার করেন।
- 📌 গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়: ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আমিরাতের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটকে হামাসের সম্ভাব্য সহিংস কর্মকাণ্ডের তথ্য দিয়েছিল।
- 📌 আইনি হুমকি: নেতানিয়াহু হামাসের হামলার আগে বিন জায়েদের সঙ্গে কথা বলার দাবি প্রত্যাখ্যানের পর সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেন।
📰 বিস্তারিত
গত ২৯শে সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপন সফরে যান। সেখানে তিনি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। এই বৈঠকটি গণমাধ্যমের নজর থেকে বাইরে সম্পন্ন হয় এবং কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ছাড়াই নেতানিয়াহু ইসরায়েলে ফিরে আসেন। সফরটি সম্পন্ন হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরই নেতানিয়াহুর কার্যালয় সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এই বৈঠকে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক জোরদার করা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
সফরটি ইসরায়েল ও আমিরাতের সম্পর্কের গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার আগে বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছিল। ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে হামাসের নেতা ইয়াহইয়া সিনওয়ারের একটি বড় ধরনের পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন, যা "রক্তপাত ঘটাতে পারে এবং পুরো অঞ্চলকে নাড়িয়ে দিতে পারে"।
নেতানিয়াহু এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেন এবং তার কার্যালয় জানায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়ে তিনি বিন জায়েদের সঙ্গে কথা বলেননি এবং কোনো সতর্কবার্তাও পাননি। নেতানিয়াহু হামাসের হামলার আগে বিন জায়েদের সঙ্গে কথা বলার দাবি প্রত্যাখ্যানের পর সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেন। তবে, ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানায়, আমিরাতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেটকে হামাসের সম্ভাব্য সহিংস কর্মকাণ্ডের তথ্য দিয়েছিল।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে কথোপকথন নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বা জল্পনা-কল্পনা সম্পর্কে তারা মন্তব্য করে না। তবে মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, আমিরাত ও ইসরায়েলের সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সরাসরি ও উন্মুক্ত যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যও বিনিময় করা হয়।
"রক্তপাত ঘটাতে পারে এবং পুরো অঞ্চলকে নাড়িয়ে দিতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবু ধাবি), ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ (সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (সফর নিশ্চিতকরণের সময়), ৭ অক্টোবর ২০২৩ (হামাসের হামলা), ১২ জন (আমিরাতি সূত্র)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!