📌 সৌদি আরব ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিমান পাঠাতে রাজি না হলেও, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতের চেষ্টা প্রতিহত করে ইসরায়েলি যাত্রীদের জীবন বাঁচানো হয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেন, হামলাকারী ওমানের নাগরিক এবং সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা ছিল
সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে ইসরায়েলি যাত্রীদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় ককপিটের হামলাকারীকে প্রতিহত করা হয়। ইসরায়েলের অনুরোধে সৌদি আরব বিমান পাঠাতে রাজি না হলেও, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, উড়োজাহাজের সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতের চেষ্টা প্রতিহত করে ইসরায়েলি যাত্রীদের জীবন বাঁচানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি প্রত্যাখ্যান: ইসরায়েলের অনুরোধে সামরিক বিমান পাঠাতে রাজি না হলেও, ইসরায়েলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন বিমান পাঠানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সৌদি আরব।
- 📌 জরুরি অবতরণ: দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর সহ-পাইলট ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে নামতে শুরু করলে ইসরায়েলি যাত্রীরা তাকে প্রতিহত করেন।
- 📌 হামলাকারী ওমানি: অভিযুক্ত হামলাকারীকে ওমানের নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা: ইসরায়েলের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা এবং কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সাথে সম্পর্ক নেই।
- 📌 জীবন বাঁচানো: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, যাত্রীরা ককপিটের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে হামলাকারীকে প্রতিহত করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনেন।
📰 বিস্তারিত
৩০ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে ইসরায়েলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ইসরায়েল সামরিক বিমান পাঠানোর অনুরোধ করেছিল। তবে সৌদি আরব এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি যাত্রীদের উদ্ধার করতে সৌদি আরবের কাছে সামরিক বিমান পাঠানোর অনুমতি চেয়েছিল ইসরায়েল। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী সুপার হারকিউলিস বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়েছিল।
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর সহ-পাইলট ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে নামতে শুরু করলে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, যাত্রীরা তাকে প্রতিহত করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনেন। নেতানিয়াহু বলেন, “যাত্রীরা ককপিটের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে হামলাকারীকে প্রতিহত করেন। তারা বহু জীবন বাঁচিয়েছেন। এটি একটি বড় ধরনের দুর্যোগ প্রতিহত করা।”
নেতানিয়াহু আরও জানান, উড়োজাহাজটি থেকে জরুরি বিপদের সংকেত পাঠানো হয়েছিল। বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানোর আগে উড়োজাহাজটি ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে হঠাৎ দ্রুতগতিতে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নামতে শুরু করে। সৌদি আরবে অবতরণের সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান জানান, ঘটনাটিকে ছিনতাই বলে মনে করা হচ্ছে না। এটি একটি ভিন্নধর্মী ঘটনা।
"সব যাত্রী আপাতত বিপদমুক্ত আছেন। উড়োজাহাজের প্রায় সব যাত্রীই ছিলেন ইসরায়েলি।" — বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (জরুরি অবতরণ), দুবাই (উড়ান শুরু), তেল আবিব (গন্তব্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), সহ-পাইলট (ওমানি নাগরিক), ইসরায়েলি যাত্রীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৩০ সেকেন্ড (উড়োজাহাজের দ্রুত নিচে নামার সময়), ১৪ হাজার ফুট (উড়োজাহাজের অবতরণের উচ্চতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!