📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের অনুষ্ঠানে ছাত্র-শিক্ষকদের মারধর, নারী শিক্ষার্থীও আহত

সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের অনুষ্ঠানে ছাত্র-শিক্ষকদের মারধর, নারী শিক্ষার্থীও আহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত' আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে সংঘর্ষে শিক্ষকসহ উভয় পক্ষের আহত হওয়া। নারী শিক্ষার্থীও নিগ্রহের শিকার হয়েছেন

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই) রোববার একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত' (এবিজিপি) কর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে শিক্ষকসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ক্যাম্পাসে উত্তেজনা এখনও বিরাজ করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এসআরএফটিআইতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত'। শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে সংঘর্ষে পরিণত হয়।
  • 📌 সংঘর্ষে শিক্ষকসহ ১০ জনেরও বেশি আহত হন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা তাদের মারধর করেছে এবং 'দেশবিরোধী', 'নকশাল' বলেও কটূক্তি করেছেন।
  • 📌 নারী শিক্ষার্থীও নিগ্রহের শিকার হন। একজন শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, বহিরাগতরা ছুরি দিয়ে আঘাত করেছেন।
  • 📌 অনুষ্ঠানের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয় এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিও ভাঙচুর করা হয়। আয়োজকদের দাবি, তাদের চারজন আহত হয়েছেন।
  • 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরেও রাত ৯টার দিকেও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। প্রথমে পুলিশকে ক্যাম্পাসে ঢোকার অনুমতি দেয়নি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। পরে কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট) নিজে পাঁচিল টপকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।
  • 📌 বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই শিক্ষায়তনে পড়াশোনার আগ্রহ রয়েছে। ভাষা ও সংস্কৃতির সাদৃশ্যের কারণে তারা এখানে অধ্যয়ন করছেন।
  • 📌 পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

📰 বিস্তারিত

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (এসআরএফটিআই) আজ রোববার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত'। শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তাদের তীব্র বচসা বাধে, যা ক্রমে মারপিটে পরিণত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ক্যাম্পাসের ভেতরেই হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ছাত্রছাত্রীরাই বেশি মার খেয়েছেন।

সংঘর্ষে শিক্ষকসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে তাদের মারধর করেছে। এমনকি ছাত্রদের 'দেশবিরোধী', 'নকশাল', 'বাংলাদেশি' ও 'জঙ্গি' বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। এসআরএফটিআইতে বেশ কিছু বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভাষা ও সংস্কৃতিগত সাদৃশ্যের কারণে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই শিক্ষায়তনে পড়াশোনার আগ্রহ রয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পাল্টা অভিযোগ, তারা অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানের প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে তাদের নির্ধারিত কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের অনুষ্ঠানের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্বামী বিবেকানন্দের ছবিও ভাঙচুর করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, ঘটনায় তাদের চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্যাম্পাসে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে প্রথমে পুলিশকে ক্যাম্পাসে ঢোকার অনুমতি দেয়নি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেখে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপিসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পাঁচিল টপকে নিজে ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢোকেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট)।

"ছাত্রদের ‘দেশবিরোধী’, ‘নকশাল’, ‘বাংলাদেশি’ ও ‘জঙ্গি’ বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। এমনকি ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন একজন শিক্ষার্থী।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী, শিক্ষক, হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত' কর্মী, কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ টা (রাতের সময়), ৪ জন (আয়োজকদের আহত), ১০ জনেরও বেশি (আহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖