📌 'কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি' সিনেমার মুক্তি বন্ধের আবেদনে সালমান খানের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের নোটিশ জারি করা হয়েছে। প্রযোজক অমিত জানির আবেদনে সালমানের জবাব চেয়েছেন বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে
বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ সিনেমার মুক্তি বন্ধের আবেদনে দিল্লি হাইকোর্টের নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই মামলায় আদালতের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে ১৬ ডিসেম্বর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালমান খানের বিরুদ্ধে ‘কালা হিরাণ’ সিনেমার মুক্তি বন্ধের আবেদনে দিল্লি হাইকোর্টের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
- 📌 প্রযোজক অমিত জানির আইনজীবী দাবি করেছেন, সালমান মুম্বাইয়ে বাস করেন এবং প্রযোজক মিরাটে অবস্থান করছেন — উভয়েই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এলাকার বাসিন্দা নয়।
- 📌 সালমানের অভিযোগ, সিনেমায় তার বিচার প্রক্রিয়া নাটকীয়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা তার আইনি অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে।
- 📌 আগামী ১৬ ডিসেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
📰 বিস্তারিত
‘কালা হিরাণ’ সিনেমার মুক্তি বন্ধের আবেদনে সালমান খানের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই মামলায় প্রযোজক অমিত জানির আইনজীবী দাবি করেছেন যে, সালমান মুম্বাইয়ে বাস করেন এবং প্রযোজক উত্তর প্রদেশের মিরাটে অবস্থান করছেন। উভয়েই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এলাকার বাসিন্দা নয়। এছাড়াও, সারা দেশে সিনেমার টিজার, পোস্টার ও প্রচারসামগ্রী প্রকাশিত হওয়াকে আদালতের এখতিয়ার প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করেন না আইনজীবী।
সালমান খানের অভিযোগ, ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং তার জীবনের ঘটনাপ্রবাহকে কেন্দ্র করে তৈরি ‘কালা হিরাণ’ সিনেমায় তার নাম, চালচলন, বাচনভঙ্গি ও আইকনিক সিনেমাগুলোর আবহ হুবহু ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, হরিণ শিকারের চারটি মামলাতেই তিনি খালাস পেয়েছেন এবং বাকি আপিলগুলো এখনও রাজস্থান হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এই অবস্থায় সিনেমায় তার বিচার প্রক্রিয়া নাটকীয়ভাবে তুলে ধরা হলে তা তার নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার আইনি অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে। তিনি আরও বলেছেন, ছবির টিজারে তাকে অপরাধী হিসেবে ইঙ্গিত করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ অমিত জানির আবেদনের বিষয়ে সালমানের জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করেন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
"সিনেমাটির মুক্তি বন্ধের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার মতো ভৌগোলিক এখতিয়ার দিল্লি হাইকোর্টের নেই। তাই সালমানের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি হাইকোর্ট, মুম্বাই, উত্তর প্রদেশের মিরাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান খান, বিচারপতি তেজস কারিয়া, অমিত জানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর, ১৬ ডিসেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!