📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চাকরির লোভে যাওয়া ৫৪ বাংলাদেশি নিহত, পরিবার অসহায়

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চাকরির লোভে যাওয়া ৫৪ বাংলাদেশি নিহত, পরিবার অসহায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাকরির আশায় রাশিয়ায় যাওয়া ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে যুদ্ধে। পরিবার জানতে পারেনি তাদের মৃত্যু, কাগজে নিখোঁজ বলে দিয়েছে রাশিয়া। বর্তমান সরকার কড়াকড়ি করলেও প্রতারিত হয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মী

চাকরির আশায় রাশিয়ায় যাওয়া ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। কিন্তু তাদের পরিবার জানতে পারেনি মৃত্যু, কারণ রাশিয়া তাদেরকে নিখোঁজ বলে ঘোষণা করেছে। পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে, কারণ মরদেহ পাওয়া যায় না এবং সরকারি ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩ বছরে ৫৪ জন বাংলাদেশি নিহত**: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চাকরির আশায় যাওয়া বাংলাদেশিদের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু রাশিয়া তাদেরকে নিখোঁজ বলে দিচ্ছে।
  • 📌 **মামুনের মৃত্যু ঘোষণা**: লালমনিরহাটের আবদুল্লাহ আল মামুন যুদ্ধে যাওয়ার আগে ছোট ভাই মো. রনিকে বলেছিলেন, ‘যুদ্ধে পাঠিয়ে দিচ্ছে, আর দেখা না-ও হতে পারে’। পরে রনি জানতে পারেন মামুন মারা গেছেন।
  • 📌 **২০২৬ সালের ৭ মে ৩০ জন বাংলাদেশি যান রাশিয়া**: তাদের মধ্যে ১৬, ৮ ও ৬ জনের গ্রুপে ভাগ করে যুদ্ধে পাঠানো হয়। ১২ ও ১৩ জুন থেকে মৃত্যু শুরু হয়।
  • 📌 **দুজন পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন**: নারায়ণগঞ্জের আদনান হোসেন ও ঝিনাইদহের রাজন হোসেন যুদ্ধক্ষেত্রে আহত হয়ে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন।
  • 📌 **রাশিয়া দূতাবাসের প্রতিবাদ**: বাংলাদেশ দূতাবাস রাশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে, কিন্তু প্রতারিত হয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মীরা।
  • 📌 **ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া জটিল**: রাশিয়া থেকে ক্ষতিপূরণ নিতে উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে হয়, যা অত্যন্ত জটিল। মরদেহও পাওয়া যায় না।

📰 বিস্তারিত

লালমনিরহাটের আবদুল্লাহ আল মামুন চাকরির আশায় রাশিয়ায় যান। যুদ্ধে যাওয়ার আগের দিন তিনি দেশে থাকা ছোট ভাই মো. রনিকে ফোন করে বলেন, ‘যুদ্ধে পাঠিয়ে দিচ্ছে, আর দেখা না-ও হতে পারে। দুনিয়ায় দেখা না হলে দেখা হবে হাশরের মাঠে’। পরে রনি জানতে পারেন মামুন মারা গেছেন। পরিবার জানাজা করতে পারেনি, কারণ মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়ায় লোকজন মোনাজাত করেন। পাঁচ মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।

গত ৭ মে ঢাকা থেকে মামুনসহ ৩০ জন বাংলাদেশি রাশিয়ায় যান। সেখানে ২১ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের ১৬, ৮ ও ৬ জনের গ্রুপে ভাগ করে যুদ্ধে পাঠানো হয়। ১২ ও ১৩ জুন থেকে মৃত্যু শুরু হয়। দুজন হাসপাতালে ভর্তি হন, পরে পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন। নারায়ণগঞ্জের আদনান হোসেন ও ঝিনাইদহের রাজন হোসেন অন্যদের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছেন।

রাশিয়া দূতাবাস বিভিন্ন সময়ে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। গত ২৫ মে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দূতাবাসের শ্রম উইং থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, রিক্রুটিং এজেন্সি জাবালে নূর ও আর এস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে ৩০ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে, যাঁদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে। দূতাবাসের অনুমতি ছাড়া কর্মী পাঠানোর বিষয়টি যাচাই করতে বলা হয়েছে।

"যুদ্ধে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করে না রাশিয়া। মরদেহও আনে না। যুদ্ধের সম্মুখসারি থেকে কেউ না ফিরলে তাঁকে নিখোঁজ বলে দেয়। কিন্তু নিখোঁজ মানেই মৃত্যু।"

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, চার-পাঁচ মাস ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে নিখোঁজ ও নিহত বাংলাদেশিদের তথ্য দূতাবাসকে জানাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৪০ জনের তথ্য জানিয়েছে তারা, কিন্তু নিহত কতজন, নিখোঁজ কতজন তা আলাদা করে বলেনি। সবশেষ ২০ জনের মৃত্যুর বিষয়ে দেশটির পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানায়নি।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, ৯০ শতাংশের বেশি কর্মী নিজে থেকেই যুদ্ধে যান। সবশেষ ৩০ জনের বিষয়েও রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা স্বেচ্ছায় যুদ্ধে গিয়েছেন। রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করছে না, তাই দেশেও পাঠানো যাচ্ছে না।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লালমনিরহাট, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ঝিনাইদহ, রাশিয়া, মস্কো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. রনিকে, আদনান হোসেন, রাজন হোসেন, আবদুল মজিদ, মো. নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ জন (মৃত্যু), ৩০ জন (রাশিয়ায় যাওয়া), ২১ দিন (প্রশিক্ষণ), ১২ ও ১৩ জুন (মৃত্যু শুরু), ৯০% (স্বেচ্ছায় যুদ্ধে যাওয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖