📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতারিত ৩০ বাংলাদেশি: ২০ মৃত্যুবরণ, ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে বন্দি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতারিত ৩০ বাংলাদেশি: ২০ মৃত্যুবরণ, ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে বন্দি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়ায় কাজের প্রতারিত ৩০ বাংলাদেশি যুবকের মধ্যে ২০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন, ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে বন্দি। পবিত্র চন্দ্রের পরিবার শেষ আশায় বেঁচে থাকার জন্য কামনা করছে, যেখানে ঋণদাতারা তাদের শেষ জমি বিক্রির চাপ দিচ্ছেন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে জোর করে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশি যুবকের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জন প্রথম ড্রোন হামলায় নিহত হন, বাকি তিনজন পরবর্তী সময়ে। বেঁচে থাকা দুজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, আর দুজন দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন। বাকি ছয়জন এখনো বাধ্য হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে লড়ছেন। এই প্রতারিত যুবকদের মধ্যে একজন পবিত্র চন্দ্রের পরিবার শেষ আশায় বেঁচে থাকার জন্য কামনা করছে, যেখানে ঋণদাতারা তাদের শেষ জমি বিক্রির চাপ দিচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ বাংলাদেশি প্রতারিত: জাবালে নূর, আরএস ইন্টারন্যাশনাল ও টিএস গ্রুপের মাধ্যমে রাশিয়ায় কাজের প্রতারিত ৩০ জন যুবককে জোর করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 ২০ জন মৃত্যু: ১৭ জন প্রথম ড্রোন হামলায় নিহত হন, বাকি তিনজন পরবর্তী সময়ে। মৃতদের মধ্যে একজন পবিত্র চন্দ্রের পরিবার শেষ আশায় বেঁচে থাকার জন্য কামনা করছে।
  • 📌 ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে: বাকি ছয়জন এখনো বাধ্য হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে লড়ছেন, তাদের অবস্থা সম্পর্কে কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
  • 📌 পরিবার ঋণদাতাদের চাপে: পবিত্র চন্দ্রের স্ত্রী মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত, পরিবার ঋণ শোধ করতে শেষ জমি বিক্রির চিন্তা করছে।
  • 📌 দুজন দেশে ফিরে আসেন: প্রতারিত যুবকদের মধ্যে দুজন দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন, তাদের অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের কাঠমিস্ত্রি পবিত্র চন্দ্রের পরিবার শেষ আশায় বেঁচে থাকার জন্য কামনা করছে। তিনি রাশিয়ায় কাজের প্রতারিত ৩০ বাংলাদেশি যুবকের মধ্যে একজন। পবিত্রের স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রি ও ঋণ নিয়ে রাশিয়ায় যান তিনি। সেখানে পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাঁকে জোর করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। পবিত্রের ভগ্নিপতি তপন চন্দ্র সূত্রধর প্রথম আলোকে বলেন, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর পবিত্রের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ ছিল। কিন্তু ২৯ মে তিনি ফোন করে বলেন, ‘আমাদের জোর করে যুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ওখানে মৃত্যুর আশঙ্কা ৯৫ ভাগ’।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের অটোরিকশা চালক রবিন মীরও প্রতারিতদের মধ্যে একজন। তাঁর পরিবার জানতে পারেননি তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে সরকারি কোনো খবর। রবিনের ভাতিজা রাহাত চৌধুরী বলেন, রাশিয়ায় যাওয়ার পর প্রথম তিন-চার দিন চাচাকে ভালো খাবার দেওয়া হয়, কিন্তু পরে পাঁচ-ছয় দিন কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায়নি। ২৯ মে চাচা ফোন করে বলেন, ‘কাজের কথা বলে গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে নিয়ে আমাদের বিক্রি করে দিয়েছে’। এটাই তাঁর সঙ্গে চাচার শেষ কথা।

১৪ অক্টোবর স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) জানিয়েছে, গত ৭ মে জাবালে নূর, আরএস ইন্টারন্যাশনাল ও টিএস গ্রুপের মাধ্যমে ৩০ বাংলাদেশি রাশিয়ায় যান। নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে কাজের কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ১০ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ২১ দিনের সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের নামানো হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। প্রথম ড্রোন হামলায় ১৭ জন মারা যান, পরে আরও তিনজন মৃত্যুবরণ করেন।

"আমাদের জোর করে যুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ওখানে মৃত্যুর আশঙ্কা ৯৫ ভাগ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল (গোপালপুর), নারায়ণগঞ্জ (সিদ্ধিরগঞ্জ), রাশিয়া, ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পবিত্র চন্দ্র, তপন চন্দ্র সূত্রধর, রবিন মীর, রাহাত চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন প্রতারিত, ২০ জন মৃত্যু, ৬ জন যুদ্ধক্ষেত্রে বন্দি, ১০ লাখ টাকা প্রত্যেকের ঋণ, ২১ দিন প্রশিক্ষণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖