📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাশিয়া ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় ৩২ জন নিহত, শিশুসহ বেসামরিক লোকের মৃত্যুতে জেলেনস্কি সতর্কতা দেন

রাশিয়া ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় ৩২ জন নিহত, শিশুসহ বেসামরিক লোকের মৃত্যুতে জেলেনস্কি সতর্কতা দেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়া ইউক্রেনে বুধবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে শিশুসহ বেসামরিক লোকের মৃত্যুতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলাকে 'জঘন্য' বলে উল্লেখ করেছেন। প্রিলুকি ও কিয়েভে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে

রাশিয়া ইউক্রেনে বুধবার দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে অন্তত ৩২ জন নিহত করেছে। এই হামলায় শিশুসহ বেসামরিক লোকের মৃত্যুতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলাকে রাশিয়ার চালানো সবচেয়ে ‘জঘন্য’ হামলাগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন। ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকি ও রাজধানী কিয়েভে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বুধবার রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৩২ জন নিহত, ১০০ জন আহত
  • 📌 প্রিলুকিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচতলা আবাসিক ভবন ধ্বংস করে ২২ জন নিহত, যার মধ্যে পাঁচজন শিশু
  • 📌 কিয়েভে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়ায়
  • 📌 রাশিয়া ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে, ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ৮০% ড্রোন ধ্বংস করে
  • 📌 জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া পুতিনের জন্মদিন উপলক্ষে ‘শিশু হত্যা’র হামলা চালিয়েছে
  • 📌 ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ১৩৪ কোটি ডলার পেয়ে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করবে
  • 📌 ইউক্রেনের ‘ফায়ার পয়েন্ট’ কোম্পানি নিজস্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে

📰 বিস্তারিত

রাশিয়া ইউক্রেনে বুধবার দিনরাত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় শিশুসহ অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস করে ২২ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচজন শিশু। রাজধানী কিয়েভের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে রুশ বিমান হামলায় আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ফলে কিয়েভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান ভিহিভস্কি পূর্বে জানিয়েছিলেন, দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা ২৮। বুধবার সন্ধ্যায় কিয়েভের প্রসিকিউটররা জানান, একটি ড্রোনের ভেঙে পড়া অংশের আঘাতে রাজধানীর একটি উপশহরে দুজন নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলায় পুরো দেশে প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজধানী কিয়েভের পাশাপাশি মধ্যাঞ্চলের ওলেক্সান্দ্রিয়া ও ক্রেমেনচুক শহরেও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।

জেলেনস্কি বলেন, রাতভর ইউক্রেনের দিকে মোট ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে অনেকগুলো ছিল উচ্চগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এ ছাড়া কয়েক ডজন শাহেদ ড্রোনও হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রুশরা বেদনাদায়ক ও পরিকল্পিতভাবে নজরকাড়া হামলা চালাতে চেয়েছিল। এটি ছিল সবচেয়ে জঘন্য হামলাগুলোর একটি।’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনের সঙ্গে হামলার সময় মিলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেন, ‘পুতিন নিজেকে এমন জন্মদিনের উপহার দিয়েছেন: শিশুদের হত্যা, মানুষকে হত্যা।’

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা কিয়েভ ও ইউক্রেনের অন্যান্য অঞ্চলের সামরিক ও শিল্প স্থাপনায় ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার ছোড়া ৪৬টি জেটচালিত ড্রোনের ৮০ শতাংশের কিছু বেশি তারা ভূপাতিত করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যেখানে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ড্রোন ধ্বংস করছিল, সেখানে এবার এই হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এখনো ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, ‘আমার দল এবং আমি প্রতিদিন প্যাট্রিয়ট (ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যবস্থা) খুঁজছি, যেগুলো মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে এবং অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।’ বুধবার ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে নতুন করে ১২০ কোটি ইউরো বা ১৩৪ কোটি ডলার পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি জানান, এই অর্থ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে।

"রুশরা বেদনাদায়ক ও পরিকল্পিতভাবে নজরকাড়া হামলা চালাতে চেয়েছিল। এটি ছিল সবচেয়ে জঘন্য হামলাগুলোর একটি।"

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ফায়ার পয়েন্টের স্থাপনা। কিয়েভ ও চেরনিহিভ, কিরোভোহরাদ, দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক, পোলতাভা এবং খারকিভ অঞ্চলে এই কোম্পানি তাদের ফ্লামিঙ্গো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন তৈরি ও সংরক্ষণ করে বলে রাশিয়া দাবি করেছে। গত সপ্তাহে জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথমবারের মতো নিজেদের তৈরি একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। সেটি ফায়ার পয়েন্ট তৈরি করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইউক্রেন (প্রিলুকি, কিয়েভ, ওলেক্সান্দ্রিয়া, ক্রেমেনচুক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভলোদিমির জেলেনস্কি, ইভান ভিহিভস্কি, ভ্লাদিমির পুতিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ জন নিহত, ১০০ জন আহত, ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র, ৪৬টি ড্রোন, ৮০% ড্রোন ধ্বংস, ১৩৪ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖