📌 ক্রেমলিন জানিয়েছে, তুরস্কের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্য একটি দায়িত্বশীল দেশে স্থানান্তর করা হবে। এতে তুরস্ক আবার মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের অনুরোধে এস-৪০০ স্থানান্তর করা যেতে পারে
রাশিয়া তুরস্কের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্য একটি দেশে স্থানান্তর করছে। এই পদক্ষেপের ফলে তুরস্ক আবার মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। ক্রেমলিন বুধবার (১ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছে। সিরিয়া যুদ্ধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিষয়ে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময় ২০১৭ সালে তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ব্যবস্থা কিনেছিল। এই কেনার কারণে ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশের সমালোচনা ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল তুরস্ক। ফলে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশিয়া তুরস্কের এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্য দেশে স্থানান্তর করছে — ক্রেমলিনের ঘোষণা
- 📌 তুরস্কের এফ-৩৫ বিরোধের সমাধান হতে পারে — ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহ
- 📌 রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, দায়িত্বশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের অনুরোধে এস-৪০০ স্থানান্তর করা যেতে পারে
- 📌 মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ন্যাটো সমালোচনার কারণে ২০১৭ সালে তুরস্ক এস-৪০০ কিনেছিল
- 📌 তুরস্কের এফ-৩৫ কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছিলেন যে, মস্কো এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অন্য একটি দেশে স্থানান্তর করতে সম্মত হতে পারে। তিনি বলেন, সেই দেশ যদি দায়িত্বশীল এবং রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে, তাহলে এস-৪০০ স্থানান্তর করা যেতে পারে। লাভরভের মন্তব্য অনুযায়ী, যখন কোনো দেশের অনুরোধ আসবে, তখন রাশিয়া এস-৪০০ স্থানান্তর করতে প্রস্তুত থাকবে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বুধবার (১ অক্টোবর) বলেন, এই পদক্ষেপটি ‘আলোচ্যসূচিতে রয়েছে’। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কাজ চলছে এবং উপযুক্ত যোগাযোগও হচ্ছে। তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে পেতে চাইছে। জুলাইয়ের শুরুতে তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তুরস্ককে আবার এফ-৩৫ কর্মসূচিতে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
২০১৭ সালে তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছিল। এই পদক্ষেপের কারণে ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশের সমালোচনা ও মার্কিন সিএএটিএসএ আইনের আওতায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ফলে তুরস্কের ইতোমধ্যে অর্থ পরিশোধ করা মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
"আমরা এমন একটি দেশে এস-৪০০ স্থানান্তর করতে প্রস্তুত থাকব, যা দায়িত্বশীল এবং রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো (ক্রেমলিন), আঙ্কারা (তুরস্ক), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সের্গেই লাভরভ (রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৭ (এস-৪০০ কেনার বছর), ৩৫ (এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান), ৪০০ (এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!