📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বার্ষিক ভালদাই ফোরামে বলেছেন, অনুকূল পরিস্থিতিতে জব্দকৃত পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া কোনো সম্পদ চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না, বরং বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসে
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোর বার্ষিক ভালদাই ফোরামে জব্দকৃত পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়ার সম্ভাবনা উন্মোচন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে। এই ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার শীর্ষ নেতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুতিনের ঘোষণা: জব্দকৃত পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি পরিস্থিতি অনুকূল হয়
- 📌 জব্দকৃত কোম্পানির তালিকা: সুইজারল্যান্ডের নেসল, ফ্রান্সের ওশাঁ, জার্মানির মেট্রো এবং লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন
- 📌 রাশিয়ার দাবি: তারা কোনো সম্পদ চুরি বা জাতীয়করণ করে না, বরং বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসে
- 📌 পশ্চিমা কোম্পানির প্রতিক্রিয়া: ২০২২ সালের ইউক্রেন আক্রমণ পর থেকে অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি রাশিয়ায় থেকে পলায়ন শুরু করে
- 📌 রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা: বিদেশি কোম্পানিগুলোকে দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ‘হ্যাঁ, দেয়া হবে’। তিনি জব্দকৃত পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়ার সম্ভাবনা উন্মোচন করেছেন। গত মাসে পুতিন সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য জায়ান্ট নেসল, ফ্রান্সের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মানির পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না’। তিনি উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া কিছু প্রতিষ্ঠানকে বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসে। তবে পুতিন উল্লেখ করেছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো কোনো নিয়মনীতির ধার না ধরে সরাসরি রাশিয়ার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিয়েছে। তিনি রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট এবং লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি দ্রুত রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার বিক্রি করে দেয়। কারণ নিষেধাজ্ঞার ফলে বেশিরভাগ পণ্যের ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু কোম্পানি কর্মী বা স্থানীয় নাগরিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে রাশিয়াতেই অবস্থান করে। তবে তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাপক মাত্রায় সংকুচিত হয়ে পড়ে। এরপর রাশিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলে। এজন্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পদ সরাসরি জব্দ করা হয়।
"হ্যাঁ, দেয়া হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো (বার্ষিক ভালদাই ফোরাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!