📌 রাশিয়া ইরানকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে প্রস্তুত হলেও অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সরকারি সংস্থাগুলির মধ্যে মতবিরোধের কারণে স্থানান্তর আটকে আছে। ইরান ও রাশিয়া পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে নিজেদের মুক্ত করার চেষ্টা করছে
রাশিয়া ইরানকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে প্রস্তুত হলেও অর্থ স্থানান্তর আটকে আছে। অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে মতবিরোধের কারণে ব্যাংক হিসাবের তথ্য রাশিয়াকে দেয়া হয়নি। মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এই তথ্য প্রকাশ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশিয়া ইরানকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে প্রস্তুত হলেও অর্থ স্থানান্তর আটকে আছে
- 📌 অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থা, তেল মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে
- 📌 ইরান ও রাশিয়া পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে নিজেদের মুক্ত করার উদ্যোগ নিচ্ছে
- 📌 গত জুনে রাশিয়া ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলারের রুবলভিত্তিক ঋণের প্রথম কিস্তি হিসেবে এই অর্থ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল
- 📌 মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে
📰 বিস্তারিত
রাশিয়া ইরানকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে। তবে অর্থ স্থানান্তর আটকে আছে। কারণ, অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইরানের পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থা ঋণের অর্থ দিয়ে যানবাহন আমদানির পক্ষে, অন্যদিকে তেল মন্ত্রণালয় তেলশিল্পের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য অর্থ ব্যবহার করতে চায়। কৃষি মন্ত্রণালয় চায়, অর্থটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে বরাদ্দ দেওয়া হোক।
গত জুনে প্রথমবার এই ঋণের খবর প্রকাশিত হয়। এটি ইরানকে রাশিয়ার পরিকল্পিত ২০ বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রথম কিস্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঋণের বার্ষিক সুদের হার হতে পারে ৬ শতাংশ। ইরান ও রাশিয়া পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত আর্থিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগসহ অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্পর্ক আরও গভীর করার চেষ্টা করছে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নিজেদের মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগসহ ইরান ও রাশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। গত জুনে রাশিয়ার সঙ্গে ব্যাংকিং ও মুদ্রা সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে রুবলভিত্তিক বাণিজ্য বোর্ড প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানায় ইরান।
"গত জুনে রাশিয়া ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলারের রুবলভিত্তিক ঋণ দিতে পারে। এই ঋণের বার্ষিক সুদের হার হতে পারে ৬ শতাংশ।"
ইরানের তেল রপ্তানি, ব্যাংকিং খাত এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে লেনদেনে সহায়তার অভিযোগে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সেপ্টেম্বরে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার ভিটিবি ব্যাংকের (ভিটিবি) ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ব্যাংকটি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (তেহরান), রাশিয়া (মস্কো), যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থা, তেল মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ বিলিয়ন ডলার, ২০ বিলিয়ন ডলার, ৬ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!