📌 ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের জাতিসংঘ সফর নিয়ে দেশের কিছু অংশে বিরোধিতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সহায়তায় মাদুরোকে আটক করা হলেও, তার ঘনিষ্ঠদের মধ্যে ৪০ জনেরও বেশি ক্ষমতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। রদ্রিগেজের বৈধতা নিয়ে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে পৌঁছান ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। তবে তার এই সফর দেশের অভ্যন্তরে বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছে। রদ্রিগেজের নেতৃত্ব নিয়ে ভেনেজুয়েলার কিছু অংশের নাগরিকরা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তারা দাবি করছেন, মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ধন্যবাদ জানানো হলেও, মাদুরোর ঘনিষ্ঠ ৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তি এখনও ক্ষমতায় রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি রদ্রিগেজ ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করবেন — প্রথম সরাসরি সাক্ষাত
- 📌 ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে মাদুরোকে আটক করা হলেও, তার ঘনিষ্ঠ ৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তি এখনও ক্ষমতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ
- 📌 কারাকাসে বিক্ষোভকারীরা রদ্রিগেজের নেতৃত্বকে "অবৈধ" বলে ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি করেছেন তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হননি
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান রদ্রিগেজ, জাতিসংঘে শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের পক্ষে ভেনেজুয়েলার অবস্থান তুলে ধরছেন
- 📌 জ্বালানি ও অর্থনৈতিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা চলছে রদ্রিগেজের প্রতিনিধিদলের সাথে
📰 বিস্তারিত
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি, ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ২২ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ব্যক্তিগত বৈঠক হবে। এটি মাদুরোকে আটক করার পর, দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাত। রদ্রিগেজের এই সফরকে ঘিরেই ভেনেজুয়েলার কারাকাসে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, রদ্রিগেজের সরকারের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তারা বলছেন, মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের প্রতি ধন্যবাদ জানানো হলেও, মাদুরোর ঘনিষ্ঠ ৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তি এখনও ক্ষমতায় রয়েছেন।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন নুরিস মেদিনা বলেছেন, ‘নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ওই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত নারী প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানোর বিষয়ে আমি পুরোপুরি একমত নই।’ অন্যদিকে, রদ্রিগেজের সমর্থকরা বলছেন, তিনি মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে, মাদুরোর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে ৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তি এখনও ক্ষমতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
মেরি রোমেরো বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, এই সরকারের কারণে আমরা অনেক ভুগেছি। এত কষ্ট... তাই এই নারী এমন ভান করে যে তিনিই ভেনেজুয়েলায় সিদ্ধান্ত নেন, এটা আমাদের জন্য ন্যায্য নয়। বিষয়টি এমন নয়; সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আমাদের, জনগণের।’ আরেকজন বিক্ষোভকারী রাফায়েল আজুয়াখে বলেছেন, ‘তিনি জনগণের ইচ্ছায় নির্বাচিত হননি। দ্বিতীয়ত, তার সেখানে থাকা উচিত নয়। কারণ তারা ভেনেজুয়েলার জনগণকে প্রতারিত করেছে এবং দেশের সব খনিজ সম্পদ নিয়ে নিয়েছে, অথচ জনগণের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।’
রদ্রিগেজের জাতিসংঘ সফর তাই একদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভেনেজুয়েলার নতুন নেতৃত্বের উপস্থিতি তুলে ধরছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে তার বৈধতা ও নেতৃত্ব নিয়ে থাকা বিরোধিতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে।
"নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ওই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত নারী প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানোর বিষয়ে আমি পুরোপুরি একমত নই"
"জানুয়ারির ৩ তারিখে সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু আপনি ৪০ চোরকে রেখে গেছেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অধিবেশন), কারাকাস (বিক্ষোভ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেলসি রদ্রিগেজ (ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), নুরিস মেদিনা, মারগট মোনাস্তেরিওস, মেরি রোমেরো, রাফায়েল আজুয়াখে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন (মাদুরোর ঘনিষ্ঠ), ২২ সেপ্টেম্বর (বৈঠক), ৩ জানুয়ারি (মাদুরো আটক), ৮১তম (জাতিসংঘ অধিবেশন), ২১ সেপ্টেম্বর (নিউইয়র্কে পৌঁছান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!