📌 সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হাউছি হামলায় ১২ জন নিহত ও ৩০০-এর বেশি আহত হয়। বিশ্বনেতারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে আলোচনা করার কথা বলেছেন
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাউছি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলায় ১২ জন নিহত ও ৩০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এ হামলা ছিল ইয়েমেনে চলমান গৃহযুদ্ধের তীব্রতায় সৌদি আরব ও এর জোটের বিরুদ্ধে হাউছিদের তৃতীয় দফা আক্রমণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা তীব্র নিন্দা জানিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ জন নিহত: হামলায় চারজন সৌদি নাগরিক, দুইজন বাংলাদেশি ও অন্যান্য দেশের একজন করে নাগরিক মারা যান।
- 📌 ৩০০+ আহত: ইকোনমিক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ৩০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া: ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্রুত আলোচনা করার কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্র হাউছিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলেছেন তিনি।
- 📌 জাতিসংঘের সতর্কবার্তা: জাতিসংঘের দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ হামলাকে 'মারাত্মক উত্তেজনাকর' আখ্যা দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি আলোচনার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
- 📌 বিশ্বনেতাদের নিন্দা: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মিসর, কাতার ও ফিলিস্তিনের সরকার হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। জাপানও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই বরদাশত করার কথা বলেছে।
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হাউছিদের হামলা ছিল ইয়েমেনে চলমান গৃহযুদ্ধের সর্বোচ্চ তীব্রতার প্রতিফলন। গত এক দশকের মধ্যে এটিই সৌদি আরবের ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। আল জাজিরা জানিয়েছে, এই হামলায় নিহতদের মধ্যে ছিল চারজন সৌদি নাগরিক, দুইজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার পর সৌদি আরবের সাথে দ্রুত আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হাউছিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা পর্যালোচনা করছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, একটি মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার খবর সত্য। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন সৌদি আরব ও ইয়েমেনের জনগণের পাশে রয়েছে।
জাতিসংঘের দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ হামলাকে 'মারাত্মক উত্তেজনাকর' আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এ হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে এবং শান্তি আলোচনা থমকে দেবে। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অন্যদিকে, কাতার ও ফিলিস্তিন সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। জাপানও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই বরদাশত করার কথা বলেছে।
"সৌদি আরব ও ইয়েমেনের জনগণের পাশে আমরা রয়েছে। এই মারাত্মক হামলা আঞ্চলিক শান্তিকে বিপদে ফেলেছে।" — মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রিয়াদ বিমানবন্দর, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোহাম্মদ বিন সালমান, মার্কো রুবিও, হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন নিহত, ৩০০+ আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!