📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী শাসকের উত্থান ও পতন

উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী শাসকের উত্থান ও পতন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্রিক দাসী হিসেবে উসমানীয় সাম্রাজ্যে প্রবেশ করে কোসেম সুলতান হয়ে ওঠেন সাম্রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী। তাঁর রাজনৈতিক দক্ষতায় তিনি সাম্রাজ্যকে একাধিকবার শাসন করেন

উসমানীয় সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী শাসক হিসেবে পরিচিত কোসেম সুলতান তাঁর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সাম্রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া নামের এই নারী ১৫ বছর বয়সে দাসী হিসেবে ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত তোপকাপি প্রাসাদে প্রবেশ করেন। তাঁর অসাধারণ রূপ ও বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান প্রথম আহমেদ তাঁকে গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম দেন কোসেম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া নামের এক দাসী থেকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের অন্যতম ক্ষমতাধর নারী শাসকে পরিণত হন কোসেম সুলতান
  • 📌 ১৬০৫ থেকে ১৬১৭ সাল পর্যন্ত তিনি হাসেকি সুলতান হিসেবে হারেমের প্রধান নিয়ন্ত্রক ছিলেন
  • 📌 ১৬২৩ সালে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে চতুর্থ মুরাদকে সিংহাসনে বসিয়ে তিনি নায়েব-ই-সালতানাত পদবি গ্রহণ করেন
  • 📌 ১৬২৩ থেকে ১৬৩২ সাল পর্যন্ত তিনি সাম্রাজ্যের প্রধান অভিভাবক হিসেবে এককভাবে শাসন পরিচালনা করেন
  • 📌 তিনি মিসরের বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের সাহায্য করেন এবং মক্কার গরিবদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন

📰 বিস্তারিত

কোসেম সুলতানের জীবনের শুরুটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ। গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া নামের এক তরুণীকে ১৫ বছর বয়সে দাসী হিসেবে ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে নিয়ে আসা হয়। তাঁর অসাধারণ রূপ ও মেধার কারণে সুলতান প্রথম আহমেদ তাঁকে গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম দেন কোসেম। হারেমের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে তাঁর উত্থান শুরু হয় ১৬০৫ সালে, যখন তিনি হাসেকি সুলতান হিসেবে পরিচিত হন।

১৬১৭ সালে সুলতান আহমেদের মৃত্যুর পর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কারণে তিনি প্রাসাদ ছাড়তে বাধ্য হন। তবে তিনি দমে যাননি। নিজের এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তিনি আবার ক্ষমতার রাজনীতিতে ফিরে আসেন। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব ছিল ১৬২৩ সালে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে চতুর্থ মুরাদকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসানো। তাঁর ছেলের অপ্রাপ্তবয়স্কতার কারণে তিনি নায়েব-ই-সালতানাত পদবি গ্রহণ করেন এবং ১৬২৩ থেকে ১৬৩২ সাল পর্যন্ত সাম্রাজ্যের মূল অভিভাবক হিসেবে এককভাবে শাসন পরিচালনা করেন।

কোসেম সুলতান তাঁর শাসনামলে সাম্রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মিসরের বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের সাহায্য করেন, মক্কার গরিব ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং গরিব পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে অকাতরে অর্থ ব্যয় করেন। তাঁর উদ্যোগে ১৬৪০ সালে উস্কুদারে একটি মসজিদ ও স্কুল নির্মাণ করা হয়।

"ষোলো শতকের প্রথম ভাগে হুররাম সুলতানের সময় নারী ক্ষমতায়নের যে সূচনা ঘটেছিল, কোসেম সুলতানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার ইতি ঘটে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইস্তাম্বুল, উসমানীয় সাম্রাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কোসেম সুলতান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ২ সেপ্টেম্বর, ১৮৯টি দেশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖