📌 ফ্লাইডুবাই ফ্লাইট এফজি ১০৭৩-এর পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে তার কোপাইলট আক্রমণ করে ছুরিকাঘাত করে। আহত অবস্থায় তিনি ককপিটের দরজা খুলে যাত্রী ও ক্রুদের সাহায্যে বিমানটি ধ্বংস থেকে রক্ষা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, একজন ইসরায়েলি প্লাম্বার ককপিটে হস্তক্ষেপ করে বিমানটি নিচে নেমে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেন
ফ্লাইডুবাই ফ্লাইট এফজি ১০৭৩-এর পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে তার কোপাইলট আক্রমণ করে ছুরিকাঘাত করে। আহত অবস্থায় তিনি ককপিটের দরজা খুলে যাত্রী ও ক্রুদের সাহায্যে বিমানটি ধ্বংস থেকে রক্ষা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, একজন ইসরায়েলি প্লাম্বার ককপিটে হস্তক্ষেপ করে বিমানটি নিচে নেমে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১২ মিনিটের ভয়াবহ ঘটনা**: ফ্লাইডুবাই ফ্লাইট এফজি ১০৭৩ ২ অক্টোবর দুবাই থেকে তেল আবিবের পথে যাত্রা করছিল। বিমানটি হঠাৎ ৩৪,০০০ ফুট উচ্চতা থেকে নিচে নেমে যেতে শুরু করে এবং মাত্র ১২ মিনিটে ১৭,০০০ ফুট নিচে নামতে সক্ষম হয়।
- 📌 **পাইলটের সাহসিকতা**: আহত অবস্থায় ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছার ককপিটের দরজা খুলে যাত্রী ও ক্রুদের সাহায্যে বিমানটি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, “আমি মাটিতে পড়েছিলাম, কিন্তু আমি জানতাম এটি শেষ চেষ্টা। দরজাটি খুলতে পারলে যাত্রীরা আমাদের সাহায্য করতে পারে।”
- 📌 **ইসরায়েলি প্লাম্বারের ভূমিকা**: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, একজন ইসরায়েলি প্লাম্বার ককপিটে হস্তক্ষেপ করে আক্রমণকারী কোপাইলটকে দমন করেন এবং বিমানটি উড়ানোর দায়িত্ব নেন। তিনি বলেন, “তিনি কখনো বিমান উড়াননি, কিন্তু তার শক্তি এবং দক্ষতা বিমানটিকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করে।”
- 📌 **যাত্রীদের বর্ণনা**: যাত্রী আদাম পোলো বলেন, “প্রথমে মনে হলো সাধারণ বায়ু গর্ত, কিন্তু একদম অদ্ভুতভাবে বিমানটি নিচে নেমে যেতে শুরু করে। বিদ্যুৎ, মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম এবং এয়ারকন্ডিশনিং বন্ধ হয়ে যায়। যারা দাঁড়িয়ে ছিল তারা পড়ে যায়। সবকিছুই ছিল অদ্ভুত রোলারকোস্টারের মতো, কিন্তু এক হাজার গুণ বেশি ভয়াবহ।”
- 📌 **ককপিটের লড়াই**: কোপাইলট পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে ছুরিকাঘাত করে আহত করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র ডোরন স্পাইলম্যান বলেন, “মাচ্ছার আহত অবস্থায় ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তিনি তার শেষ শক্তি ব্যবহার করেন এবং দরজাটি খুলে দেন যাতে যাত্রীরা আক্রমণকারীকে দমন করতে পারে।”
📰 বিস্তারিত
২ অক্টোবর রোববার সকাল ৭:০৫ মিনিটে (গ্লোবাল টাইম ৩:০৫) ফ্লাইডুবাই ফ্লাইট এফজি ১০৭৩ দুবাই থেকে তেল আবিবের পথে যাত্রা শুরু করে। বিমানটি ৩৪,০০০ ফুট উচ্চতা (১০,০০০ মিটার) পর্যন্ত উড়ে যায়। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে, বিমানটি হঠাৎ নিচে নেমে যেতে শুরু করে। প্রথমে এটি ১৭,০০০ ফুট (৫,১৮০ মিটার) নিচে নামতে সক্ষম হয়, পরে আবার উঠে যায় এবং পুনরায় নিচে নেমে যায়।
গ্লোবাল টাইম ৫:২১ মিনিটে বিমানটি তীব্রভাবে নিচে নেমে যায়। ফ্লাইটরাডার ২৪-এর ডেটা অনুযায়ী, বিমানটি প্রথমে তীব্রভাবে নিচে নেমে যায়, পরে তীব্রভাবে উঠে যায় এবং দ্বিতীয়বার তীব্রভাবে নিচে নেমে যায়। যাত্রী আদাম পোলো বলেন, “প্রথমে মনে হলো সাধারণ বায়ু গর্ত, কিন্তু একদম অদ্ভুতভাবে বিমানটি নিচে নেমে যেতে শুরু করে। বিদ্যুৎ, মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম এবং এয়ারকন্ডিশনিং বন্ধ হয়ে যায়। যারা দাঁড়িয়ে ছিল তারা পড়ে যায়। সবকিছুই ছিল অদ্ভুত রোলারকোস্টারের মতো, কিন্তু এক হাজার গুণ বেশি ভয়াবহ।”
গ্লোবাল টাইম ৫:৩৩ মিনিটে, বিমানটি ১৫,০০০ ফুট (৪,৫৭০ মিটার) উচ্চতায় পৌঁছায় এবং নিচে নেমে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। এই ১২ মিনিটের মধ্যে বিমানটি তীব্রভাবে নিচে নেমে যাওয়ার কারণে ককপিটের রাডার পিছনে থেকে পড়ে যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “বিমানটি এমন গতিতে নিচে নেমে যাচ্ছিল যা এর ডিজাইনের মধ্যে ছিল না। এটি ছিল বিমানের সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে অনেক বেশি গতি।”
"আমি মাটিতে পড়েছিলাম, কিন্তু আমি জানতাম এটি শেষ চেষ্টা। দরজাটি খুলতে পারলে যাত্রীরা আমাদের সাহায্য করতে পারে।" — পাইলট স্মিত মাচ্ছার, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে হাসপাতাল থেকে ভিডিও কলে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দুবাই → তেল আবিব (ফ্লাইট এফজি ১০৭৩)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাইলট স্মিত মাচ্ছার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলি প্লাম্বার (অনামিক), যাত্রী আদাম পোলো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মিনিট (বিমানটি নিচে নেমে যাওয়ার সময়কাল), ১৭,০০০ ফুট (নিচে নেমে যাওয়া উচ্চতা), ৩৪,০০০ ফুট (বিমানটি উড়ার সর্বোচ্চ উচ্চতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!