📌 ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইভিএম ও ভোটার তালিকা বিকৃত করে ভোট চুরি করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, এই ভোট চুরি দেশদ্রোহিতা এবং জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করে কারাগারে পাঠানো দরকার
ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির রামলীলা ময়দানে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া ব্লকের সমাবেশে বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ও ভোটার তালিকা কারচুপির মাধ্যমে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট চুরি করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, এই ভোট চুরি কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, বরং এটি ভারতের প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর চুরি এবং দেশদ্রোহিতার সমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইভিএম ও ভোটার তালিকা বিকৃত করে ভোট চুরি করা হয়েছিল এবং নির্বাচনটি অবৈধ।
- 📌 তিনি বলেছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পেরেছেন, যা জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করে কারাগারে পাঠানোর দাবি করে।
- 📌 রাহুল গান্ধী উল্লেখ করেছেন, নির্বাচনের পর ১৫ শতাংশ ভোটারকে বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং ২০২৪ সালে ইন্ডিয়া ব্লক ও এনডিএ-এর মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবধান ছিল।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে মোদী ও শাহের ক্ষমতায়ন সম্ভব হতো না।
📰 বিস্তারিত
রাহুল গান্ধী রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া ব্লকের সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ভোট চুরি ভারতের প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর চুরি এবং দেশদ্রোহিতা। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, নির্বাচনের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পেরেছেন, যা জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করে কারাগারে পাঠানোর দাবি করে।
রাহুল গান্ধী নির্বাচনের পর ১৫ শতাংশ ভোটারকে বাদ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ইন্ডিয়া ব্লক এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-এর মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবধান ছিল। তিনি দাবি করেছেন যে, এই নির্বাচন অবৈধ ছিল এবং জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করে কারাগারে পাঠানোর দাবি করেছেন।
"২০২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ ছিল। ইভিএমের মাধ্যমে এবং ভোটার তালিকা বিকৃত করে ভোট চুরি করা হয়েছিল। এই ভোট চুরি কোনো সাধারণ চুরি নয়। এটা ভারতের প্রতিটি কণ্ঠস্বর চুরি। একেই বলে দেশদ্রোহিতা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ শতাংশ (বাদ দেওয়া ভোটার), ৩ শতাংশ (ব্যবধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!