📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুতিনের ক্ষমতা-বিশ্বাসে রাশিয়া আরও আগ্রাসী: ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন ঝুঁকি

পুতিনের ক্ষমতা-বিশ্বাসে রাশিয়া আরও আগ্রাসী: ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন ঝুঁকি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করলেও জনমত জরিপে সরকারের সমর্থন হ্রাস পেয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে আরও আগ্রাসী হওয়ার পেছনে পুতিনের ক্ষমতা-বিশ্বাস এবং জনগণের ক্রমহ্রাসমান সমর্থনই মূল কারণ

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতা-বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে দেশটি ইউক্রেন যুদ্ধে আরও আগ্রাসী ভূমিকা গ্রহণ করছে। গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়া দলের নিরঙ্কুশ বিজয় সত্ত্বেও, সরকারের জনসমর্থন হ্রাস পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল পুতিনের জন্য ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ চালিয়ে যাওয়ার বৈধতা জোগায়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ জনমত জরিপে সরকারের সমর্থন ক্রমশ কমে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউনাইটেড রাশিয়া দল পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও, জনমত জরিপে সরকারের সমর্থন ২০২৫ সালের তুলনায় ১২ শতাংশ কমে ৫৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
  • 📌 ইউক্রেন যুদ্ধকে সফল মনে করা জনগণের হার ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ২০ শতাংশ কম।
  • 📌 রাশিয়ার জনগণ মোবাইল ইন্টারনেট সেবা, মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারের সমস্যা এবং পেট্রল ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছেন — প্রতি তিনজনের দুজন এই সমস্যায় ভুগছেন।
  • 📌 পুতিনের বিরোধী দল ‘ইয়াবলোকো’র নেতা লেভ শ্লোসবার্গকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি, বরং দলটিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।
  • 📌 পুতিন ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সংঘাতের নতুন পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা দেশে সামরিক সংহতকরণের আশঙ্কা বৃদ্ধি করছে।

📰 বিস্তারিত

রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়া দলের বিজয় সত্ত্বেও, সরকারের জনসমর্থন হ্রাস পেয়েছে। স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘লেভাদা সেন্টার’-এর জরিপে দেখা গেছে, ইউক্রেন যুদ্ধকে সফল মনে করা জনগণের হার ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই জরিপে, দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা মানুষের সংখ্যা ৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ১০ শতাংশ কম। প্রেসিডেন্ট পুতিনের নিজস্ব সমর্থনের হারও ১২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বৈরতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পতন।

দীর্ঘায়িত যুদ্ধ, মূল্যস্ফীতি, ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ এবং জ্বালানি সংকটের কারণে জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি তিনজনের দুজন উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা মোবাইল ইন্টারনেট সেবা, মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারের সমস্যা এবং পেট্রল স্বল্পতার মুখোমুখি হচ্ছেন। পেট্রল বা গ্যাসোলিনের ঘাটতি প্রতি তিনজন উত্তরদাতার মধ্যে একজনের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে, অন্যদিকে প্রতি পাঁচজনের একজন ইন্টারনেট বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

পুতিনের জন্য সংঘাত বৃদ্ধিই এখন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের আগে বিরোধী দল ‘ইয়াবলোকো’র ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল। দলটি নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকেই নিষিদ্ধ হয়নি, এর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুতিন অস্বাভাবিক ঘন ঘন সফর করছেন, সামরিক বাহিনী, শিশু, বিজ্ঞানী এবং ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন। তিনি এমনকি জাপানকে উসকানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ওখটস্ক সাগরের একটি বিতর্কিত দ্বীপ পরিদর্শন করেছেন।

"যতক্ষণ পুতিন বিশ্বাস করবেন যে সময় তাঁর পক্ষে রয়েছে, এবং জনগণ দুর্ভোগের বোঝা বইতে প্রস্তুত রয়েছে, ততক্ষণ তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। আর এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো দেশে এবং বিদেশে যুদ্ধকে আরও উসকে দেওয়া বা সংঘাত বাড়িয়ে তোলা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাশিয়া, মস্কো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, লেভ শ্লোসবার্গ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০%, ২০%, ১০%, ৫৪%, ১২%, ১১ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖