📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় পরিবার: সীমান্তে অবৈধ 'পুশব্যাক' আশঙ্কায় নিখোঁজ আব্দুল বারিকের পরিবার দাবি আইনি বিচার

পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় পরিবার: সীমান্তে অবৈধ 'পুশব্যাক' আশঙ্কায় নিখোঁজ আব্দুল বারিকের পরিবার দাবি আইনি বিচার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার বাসিন্দা আব্দুল বারিককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার পর অবৈধভাবে বাংলাদেশে 'পুশব্যাক' করার অভিযোগ উঠেছে। পরিবার দাবি করে, কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাঁকে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের সম্পাদক কিরীটি রায় দাবি করেছেন, পুলিশের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বারিককে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার পর অবৈধভাবে বাংলাদেশে 'পুশব্যাক' করার অভিযোগ উঠেছে। পরিবার দাবি করে, পুলিশ কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাঁকে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে রায়গঞ্জ থানা ও ভাতোল ফাঁড়ির পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আব্দুল বারিক (৪২), একজন মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জমিজমা বাসিন্দা, ২ জুন দুপুর ১২টায় পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। পরিবার দাবি করে, তাঁকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে 'পুশব্যাক' করা হয়েছে।
  • 📌 পুলিশ কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা অ্যারেস্ট মেমো প্রদান না করেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভাতোল ফাঁড়ির উদ্দেশে নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের কারণও জানানো হয়নি।
  • 📌 ২৩ জনের পরিবার নির্ভরশীল তাঁর আয়ের ওপর। পরিবার দাবি করে, তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও আয়কর কার্ড সহ নাগরিকত্বের প্রমাণ রয়েছে।
  • 📌 মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) সম্পাদক কিরীটি রায় দাবি করেছেন, পুলিশের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন। মাসুমের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ থানার সিসিটিভি ফুটেজ, জেনারেল ডায়েরি ও স্টেশন ডায়েরি তলব করা হয়েছে।
  • 📌 ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আব্দুল বারিক নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গত ২ জুন দুপুর ১২টায় রায়গঞ্জ থানা ও ভাতোল ফাঁড়ির পুলিশের একদল কর্মকর্তা গোপালপুর মানুপাড়ার আব্দুল বারিকের বাড়িতে আসে। পুলিশ পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে পরিবার পূর্ণ সহযোগিতা করে। কিন্তু পুলিশ কোনো জমার রসিদ বা সিজার লিস্ট প্রদান না করেই তাঁর সমস্ত নথিপত্র কেড়ে নেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আব্দুল বারিককে গ্রেপ্তার করে ভাতোল ফাঁড়ির উদ্দেশে নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের সময় কোনো আইনি নথি প্রদান করা হয়নি এবং গ্রেপ্তারের কারণও জানানো হয়নি। এরপর থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।

পুলিশের কাছ থেকে সদুত্তর না পেয়ে মাসুমের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা হয়। মাসুমের পক্ষ থেকে ই-মেইল পাঠানো হলেও কোনো লিখিত জবাব পাওয়া যায়নি। গত ২ জুনের সরকারি গ্রেপ্তারি তালিকা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেখানে আব্দুল বারিকের গ্রেপ্তারের কোনো নথি নেই।

মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের সম্পাদক কিরীটি রায় বলেছেন, “দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় পুলিশের হেফাজত থেকে কোনো নাগরিকের এভাবে ‘উধাও’ হয়ে যাওয়া নাগরিক অধিকারের ওপর এক চরম আঘাত।” তিনি অবিলম্বে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মাসুমের ভাষ্য, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুসলিম পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার এ ধরনের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে।

"পরামর্শ অনুযায়ী ই-মেইল পাঠানো হলেও কোনো লিখিত জবাব পাওয়া যায়নি। এছাড়া সরকারি গ্রেপ্তারি তালিকা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেখানে আব্দুল বারিকের গ্রেপ্তারের কোনো নথি নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রায়গঞ্জ থানা, উত্তর দিনাজপুর জেলা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল বারিক (মৎস্যজীবী), কিরীটি রায় (মাসুম সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন (পরিবারের সদস্য), ২ জুন (গ্রেপ্তারের তারিখ), ১২ টা (গ্রেপ্তারের সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖