📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ অভিযোগে শিক্ষার্থীরা যুদ্ধবিমান-ট্যাংক দখল করে বিক্ষোভ, হোস্টেলে আগুন ও ভাঙচুর

পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ অভিযোগে শিক্ষার্থীরা যুদ্ধবিমান-ট্যাংক দখল করে বিক্ষোভ, হোস্টেলে আগুন ও ভাঙচুর

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের পাঞ্জাবের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষার্থীরা তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেছে। তারা যুদ্ধবিমান ও ট্যাংকের পিঠে উঠে গেছে এবং ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে

ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি (এলপিইউ) তে এক নারী শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষার্থীরা তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোরে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে শত শত শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। বিক্ষোভের সময় জলন্ধর-ফাগওয়ারা জাতীয় মহাসড়ক অবরুদ্ধ হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর জি–৩ হোস্টেলে থাকা এক তরুণীকে বহিরাগত ব্যক্তি ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং মামলা দায়ের করেছে।
  • 📌 ১০ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত সামরিক ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে এবং ১ জন শিক্ষার্থী যুদ্ধবিমান মিগ–২৩ ইউএম-এর পিঠে উঠে গেছেন।
  • 📌 বিক্ষোভের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, কিছু ভবন ও দোকানেও ক্ষতি হয়েছে।
  • 📌 শিক্ষার্থীদের দাবি: মেয়েদের হোস্টেলের পুরো স্টাফ নারী হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের অভিযোগকে "গুজব" বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছে আনুষ্ঠানিক তথ্যের ওপর নির্ভর করা।

📰 বিস্তারিত

জলন্ধরের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এলপিইউ) এক নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষার্থীরা তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোরে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং একপর্যায়ে জলন্ধর-ফাগওয়ারা জাতীয় মহাসড়কের একটি অংশ অবরুদ্ধ হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হোস্টেলের কাছে বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের জি–৩ হোস্টেলে থাকা এক ছাত্রীকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এক বহিরাগত ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। তারা দাবি করেন, ওই ঘটনায় একজন প্লাম্বার বা নির্মাণকর্মী জড়িত ছিলেন এবং বিষয়টি হোস্টেল ওয়ার্ডেনকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ওই ছাত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জলন্ধর রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিআইজি) নবীন সিংলা বলেছেন, পুলিশ ওই শিক্ষার্থীর বক্তব্য পেয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, জি–৩ হোস্টেলে থাকা এক তরুণীকে তিন দিন আগে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে তিনি বাড়ি ফিরে যান।

বিক্ষোভের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে বিক্ষোভ ও স্লোগান দিতে দেখা গেছে। কিছু ভিডিওতে জানালার কাচ ও ফুলের টব ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনের কিছু অংশ ও বিভিন্ন জিনিসপত্রে আগুন জ্বলতেও দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের কয়েকটি দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিক্ষোভের মধ্যে এক শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে স্থাপন করা ভারতীয় বিমানবাহিনীর মিগ–২৩ ইউএম যুদ্ধবিমানের ওপর উঠে যেতে দেখা যায়। প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত একটি সামরিক ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতেও দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের আরও কিছু দাবি রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এর মধ্যে মেয়েদের হোস্টেলের পুরো স্টাফ নারী করার দাবিও রয়েছে। ডিআইজি নবীন সিংলা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আরও কিছু দাবি রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সেগুলো পূরণ করা হবে।

"বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ, সিসিটিভি বিশ্লেষণ ও ফোন বিশ্লেষণ করা হবে। শিক্ষার্থী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিকা গুলাটি এক বিবৃতিতে ধর্ষণের অভিযোগকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, সমাজবিরোধী উপাদানরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব ছড়াচ্ছে। তারা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে এসব দাবি বিশ্বাস বা প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি (এলপিইউ), জলন্ধর, পাঞ্জাব, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নবীন সিংলা (ডিআইজি), মনিকা গুলাটি (রেজিস্ট্রার), শিক্ষার্থীরা, ধর্ষিত তরুণী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৩ দিন আগে (ধর্ষণের সময়), ১০ জন (ট্যাংক ওঠা শিক্ষার্থী), ১ জন (বিমান ওঠা শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖