📌 ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি জিকিউ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পারিবারিক বিরোধ মিটিয়ে পুনর্মিলনই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি অতীতের ক্ষত থেকে গেলেও মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন
ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে পুনর্মিলনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন প্রিন্স হ্যারি। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মধ্যেও তিনি মনে করছেন, পারিবারিক বিরোধ মিটিয়ে পুনর্মিলনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত জিকিউ ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারটি ধারণ করা হয়েছিল গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রিন্স হ্যারি বলেছেন, পারিবারিক বিরোধ মিটিয়ে পুনর্মিলনই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- 📌 তিনি স্বীকার করেছেন, অতীতের বিরোধের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, কিন্তু মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন
- 📌 ২০২১ সালে মেগান মার্কল অভিযোগ করেছিলেন, রাজপরিবারের সদস্যরা তাদের ছেলে আর্চির গায়ের রং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন
- 📌 হ্যারি ও মেগান ২০২০ সালে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন, গত আগস্টে ছয় বছর পর সন্তানদের নিয়ে ফিরেছিলেন
- 📌 প্রিন্স আর্চির বয়স এখন সাত বছর এবং প্রিন্সেস লিলিবেটের পাঁচ বছর
📰 বিস্তারিত
প্রিন্স হ্যারি জিকিউ ম্যাগাজিনকে বলেছেন, কিছু মানুষ পারিবারিক বিরোধ মিটে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করতে চান না। কিন্তু তিনি মনে করেন, সবকিছু ঠিক হয়ে যাওয়ার প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, বিশ্বে যা ঘটছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পারিবারিক পুনর্মিলন। অতীতের বিরোধের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, কিন্তু তিনি মনে করেন, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
হ্যারি বলেছেন, ‘ক্ষতচিহ্ন চিরকাল থেকে যায়। কিন্তু ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে আপনি কীভাবে দেখছেন, সেগুলো সম্পর্কে আপনার মানসিকতা কেমন এবং কীভাবে অতীতকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ। আমি সবাইকে সেটিই করার আহ্বান জানাব।’ তিনি আরও বলেছেন, পারিবারিক সমস্যাগুলো যখন প্রতিদিনের জীবনকে প্রভাবিত করতে থাকে, তখন সেগুলো কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে।
২০১৬ সালে পরিচয়ের পর ২০১৮ সালে মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কলকে বিয়ে করেন হ্যারি। ২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন জীবন শুরু করেন তারা। গত আগস্টে ছয় বছর পর তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরেছিলেন হ্যারি ও মেগান। আর্চির বয়স এখন সাত বছর এবং লিলিবেটের পাঁচ বছর।
২০২১ সালে মেগান অভিযোগ করেছিলেন, রাজপরিবারের সদস্যরা তাদের ছেলে আর্চির গায়ের রং কতটা গাঢ় হতে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এই ঘটনা বাকিংহাম প্যালেসের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে অপূরণীয় ক্ষতি করে বলে মনে করা হয়। দীর্ঘদিনের এই টানাপোড়েনের মধ্যেও এবার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন হ্যারি।
"আমি সবাইকে সেটিই করার আহ্বান জানাব — ক্ষতচিহ্ন পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রিন্স হ্যারি, মেগান মার্কল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ অক্টোবর, ২০২০, ২০২১, সাত বছর, পাঁচ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!