📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগ জোরদার করতে। বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগ জোরদার করতে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, চীনের বিভিন্ন উদ্যোগ রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবাসনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগে জোরদার করতে।
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাতে এই আহ্বান জানান তিনি।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ খাতগুলোতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
- 📌 কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ আঞ্চলিক যোগাযোগের উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।
- 📌 মোংলা বন্দর ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
- 📌 তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
- 📌 রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতা চান ১০০০ শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণে।
- 📌 রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের আরও গভীরতা আশা প্রকাশ করেন।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের বিভিন্ন উদ্যোগ রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবাসনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ খাতগুলোতে চীনা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপক্ষীয় উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রাষ্ট্রপতি মোংলা বন্দর ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে দুই দেশের আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান।
রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতা চান ১০০০ শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নে। পাশাপাশি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) জটিল রক্তের ক্যান্সারের চিকিৎসায় চীনের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চান তিনি।
"চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার। ভবিষ্যতে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর হবে"
রাষ্ট্রপতি বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর, ১০০০ শয্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!