📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে সাক্ষাতে চীনের সাথে বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি চীনের গঠনমূলক ভূমিকা ও বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে সাক্ষাতে চীনের সাথে বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে তিনি চীনের গঠনমূলক ভূমিকা প্রশংসা করে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন**: রাষ্ট্রপতি চীনের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির জন্য চীনের ভূমিকা প্রশংসা করেন।
- 📌 **বিনিয়োগ বৃদ্ধি**: তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তি সহ বিভিন্ন খাতে চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
- 📌 **অর্থনৈতিক করিডর**: কুনমিং-চট্টগ্রাম ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের সাথে চীনের পারস্পরিক সুবিধার কাজে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
- 📌 **মোংলা বন্দর**: মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
- 📌 **তিস্তা নদী প্রকল্প**: তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
- 📌 **সামরিক সহযোগিতা**: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা প্রযুক্তির সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
- 📌 **বন্ধুত্বের ইতিহাস**: রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর ও নিজের সফরের কথা উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরেন।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চীনের সাথে বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চীনের গঠনমূলক ভূমিকা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহায়ক হবে। রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন খাতে যেমন তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিতে চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ চীন ও অংশীদারদের সাথে পারস্পরিক সুবিধার কাজে আগ্রহী। তিনি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করেন এবং চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর ও নিজের ২০২৬ সালের এপ্রিলে চীন সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।
"চীনের উদ্যোগ রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ চীন ও অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার কাজে প্রস্তুত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ শয্যা (বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!