📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংকে বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কানাডার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে কানাডার ভূমিকা অনুরোধ করেছেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কানাডার সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে কানাডার গভর্নর জেনারেল লুইস আরবুর পক্ষ থেকে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে একটি অভিনন্দনবার্তা হস্তান্তর করেন। রাষ্ট্রপতি অভিনন্দনবার্তার জন্য হাইকমিশনারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি আলমগীর কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কানাডার সহযোগিতা দরকার।
- 📌 কানাডা-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বার্ষিক চার বিলিয়ন কানাডীয় ডলার ছাড়িয়েছে।
- 📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কানাডাকে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
- 📌 ৬০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে কানাডা রোহিঙ্গা ইস্যুতে।
- 📌 বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এ৩৫০-৯০০ ও এ৩২১ নিও উড়োজাহাজ পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রচর্চায় কানাডার দীর্ঘ ঐতিহ্যের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে দীর্ঘকালের গণতন্ত্র ও সাংসদীয় রীতির অনুপস্থিতির কারণে সরকারকে এখনও বেগ পেতে হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, সার, আইটি, আউটসোর্সিংসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে কানাডার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। বিশেষ করে শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি এবং নার্সিং ও চিকিৎসাক্ষেত্রে সহযোগিতার দাবি তুলে ধরেন।
কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং জানান, দুই দেশের বাণিজ্য পরিমাণ চার বিলিয়ন কানাডীয় ডলার ছাড়িয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন, কানাডার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসন্ন বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন। সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা ইস্যুতে হাইকমিশনার বলেন, কানাডা সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই সহযোগিতার জন্য কানাডা সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে কানাডার ভূমিকা অনুরোধ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কানাডার পক্ষে রাজনৈতিক কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিসও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে চারটি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে এবং ছয়টি এ৩২১ নিও পরিচালনা করা হবে আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে। ফলে দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক গন্তব্যের পাশাপাশি আঞ্চলিক রুটেও বিমানের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে।
"বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কানাডার সহযোগিতা কামনা করছি।" — রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ মিলিয়ন ডলার (রোহিঙ্গা সহায়তা), ৪ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (বাণিজ্য), ৯০০ (এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!