📌 কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেছেন, প্রতিমা বিসর্জনে যুক্ত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় পরীক্ষা করার পুলিশের কোনো দায়িত্ব নেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে পুলিশকে সনাতন হিন্দুদের শনাক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ কমিশনার বলেছেন, ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার দায়িত্ব পূজা কমিটির
কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেছেন, দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় যুক্ত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় পরীক্ষা করার পুলিশের কোনো দায়িত্ব নেই। তিনি জানান, ধর্মীয় আচার-বিচারের নজরদারি পুলিশের কাজ নয়, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব অবশ্যই রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ অক্টোবর হুগলি নদীর ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে বলেছিলেন, প্রতিমা বিসর্জনে যুক্ত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় শনাক্ত করতে হবে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে প্রতিমায় হাত দিতে হবে।
- 📌 কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেছেন, প্রতিমা বিসর্জনের ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলার দায়িত্ব পূজা কমিটির। পুলিশের কাজ হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নয় ধর্মীয় নিয়মের নজরদারি।
- 📌 পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম দুর্গাপূজায় প্যান্ডেলে ভাঙচুর, বই ধ্বংস এবং চোরবাগানে পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু ঘটে। বিরোধীরা শাসকদলের দায়িত্ব নিরূপণ করেছেন।
- 📌 পুলিশ কমিশনার বলেছেন, প্রতিমা বয়ে নিয়ে যাওয়ার ভারবাহক কুলিদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পূজা কমিটির। পুলিশের কাজ হলো আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ অক্টোবর হুগলি নদীর ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি সিপিকে বলে গেলাম, যাঁরা মাকে নিয়ে যাবেন সেসব লোকজনের নাম, পরিচয়ও শনাক্ত করে দিতে হবে। যাঁরা সনাতন ধর্ম মানেন, তাঁরাই প্রতিমায় হাত দেবেন। এটার মধ্যে কোনো সাম্প্রদায়িকতা নেই।’ এই ঘোষণার পর থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন যে, ধর্মীয় আচার পালনের বিষয়ে পুলিশকে কীভাবে নজরদারি করতে হবে।
গতকাল শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ বলেছেন, ‘যা নির্দেশ এসেছে সেই মতো পূজা কমিটিকে বলা হয়েছে। সেভাবেই চলছে। পূজা কমিটি সবটা দেখছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার যে চিরকালীন প্রথা মেনে চলা হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। প্রতিমা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পূজা কমিটির কর্মকর্তারা ভারবাহক কুলিদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশের কাজ হলো বিসর্জনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।’
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসনক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে প্যান্ডেল-সংলগ্ন বইয়ের স্টলে ভাঙচুর ও বই ধ্বংস, পূজায় দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং শেষ পর্যন্ত উত্তর কলকাতার চোরবাগানে পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু ঘটে। বিরোধীরা এই ঘটনাপ্রবাহের জন্য শাসকদলের দায়িত্ব নিরূপণ করেছেন।
"আমি সিপিকে বলে গেলাম, যাঁরা মাকে নিয়ে যাবেন সেসব লোকজনের নাম, পরিচয়ও শনাক্ত করে দিতে হবে। যাঁরা সনাতন ধর্ম মানেন, তাঁরাই প্রতিমায় হাত দেবেন। এটার মধ্যে কোনো সাম্প্রদায়িকতা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত; হুগলি নদীর ঘাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, ১৯ জন মৃত্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!