📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাঁচ দিনের সফরে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইট থেকে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি। পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা দেশে ফিরছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা।
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম অংশগ্রহণ।
- 📌 অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি।
- 📌 বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ নিয়ে জোরালো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি ছিল তার প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।
সফরের শুরু থেকেই জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।
অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সফরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের বক্তব্যে বিশ্বশান্তি, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
"জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বড় বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক কর্মসূচি সম্পন্ন হলো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১১টা ৩৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!