📌 জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক ত্যাগ করে দেশে ফিরছেন। তিনি দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছবেন ২৭ সেপ্টেম্বর। সফরে তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন নেতা ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেন এবং বাংলায় ভাষণ দেন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক ত্যাগ করে দেশে ফিরছেন। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় তিনি এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে আরোহণ করেন এবং দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীরা রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী বহনকারী ফ্লাইট দুবাই পৌঁছাবে, সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।
- 📌 জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশল তুলে ধরেন।
- 📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান।
- 📌 জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট, তুরস্কের প্রেসিডেন্টসহ ১০টি দেশের নেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করেন।
- 📌 জাতিসংঘের বিভিন্ন ফাউন্ডেশন এবং বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয় আলোচনা হয়।
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের স্বাগত প্রাতরাশ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবর্ধনায় অংশ নেন।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরার যাত্রা শুরু হয়েছে। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর ফ্লাইটে আরোহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছাবে। সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চান। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহের সঙ্গে আলোচনা করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্কের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গেও বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।
২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের স্বাগত প্রাতরাশ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী অংশ নেন। সেখানে তিনি গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশন, রকফেলার ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি ও রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে মানবিক চ্যালেঞ্জ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
"বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, দুবাই, ঢাকা, জাতিসংঘ সদর দফতর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, সালেহ শিবলী, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জুলি বিশপ, বারহাম সালেহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ২৬ সেপ্টেম্বর, ৮টা, ২টা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ৮টা ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!