📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে বক্তব্য

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে বক্তব্য

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের ১২-১৮ শতাংশ উপকূলীয় এলাকা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার দাবি করেছেন

জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। সভায় তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
  • 📌 বাংলাদেশের ১২-১৮ শতাংশ উপকূলীয় এলাকা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যা কোটি কোটি মানুষের জীবিকা ও খাদ্যনিরাপত্তাকে বিপদে ফেলবে।
  • 📌 চলতি বছরের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজন খাতে ৩.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব নয়।
  • 📌 আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়ে রয়েছে, পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের কাজ চলছে।
  • 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • 📌 জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

📰 বিস্তারিত

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলি।”

প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রথমত, প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা বজায় রাখতে বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে হবে। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অভিযোজন খাতে পূর্বানুমেয় ও সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করে একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক জলবায়ু উত্তরণের পথ তৈরি করতে হবে। চতুর্থত, সুলভ অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে। সর্বশেষে, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিলের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে এর অর্থ পুনঃপূরণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে কোটি কোটি মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যনিরাপত্তাও গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১ শতাংশের সমপরিমাণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চলতি বছরের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য প্রায় ৩.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি এড়াতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। একইসঙ্গে পানি সংরক্ষণ, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস, জলাভূমি পুনরুজ্জীবন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণের লক্ষ্যে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের কাজ চলছে। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা ব্যারাজের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাশাপাশি পাটজাত পণ্য, পরিবেশবান্ধব পরিবহন, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন ও সার্কুলার অর্থনীতির উদ্যোগসহ সবুজ শিল্পের প্রসারে কাজ করছে সরকার। একইসঙ্গে একটি জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

"বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতিসংঘ সদরদপ্তর, নিউইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১২-১৮ শতাংশ, ৩.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২৫ কোটি গাছ, ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল, ২০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖