📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। সফরে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এমিরেটসের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরছেন, সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্যান্য সফরসঙ্গীরা।
- 📌 জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে তিনি বৈশ্বিক শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।
- 📌 ভাষণে তিনি সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতি, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং ‘থ্রি-আর কৌশল’-এর কথা উল্লেখ করেন।
- 📌 রোহিঙ্গা সংকটে তিনি নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন।
- 📌 সফরে তিনি জাতিসংঘের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন।
📰 বিস্তারিত
৫ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্যান্য সফরসঙ্গীরা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছাবেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে সফরকারী প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একমাত্র সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে আলোচনা করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বিষয়ে আলোচনা হয়।
"বৈশ্বিক মানবতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, দুবাই, ঢাকা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, জুলি বিশপ, বারহাম সালেহ, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন, ৮১তম অধিবেশন, রাত ১১টা ৩০ মিনিট, ২৬ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা, রাত ২টা, ২৭ সেপ্টেম্বর, সকাল ৮টা ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!