📌 ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকারী পাইলটের হামলায় আহত ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে বলেছেন, তিনি ককপিটের দরজা খুলে যাত্রীদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন। ১৭৪ জন আরোহী নিয়ে উড়োজাহাজটি ৩০ সেকেন্ডে ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়েছিল
ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকারী পাইলটের হামলায় আহত ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার আজ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ককপিটে হামলার সময় তিনি উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং মাটিতে পড়ার আগে ককপিটের দরজা খুলে যাত্রীদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭৪ জনের জীবন বাঁচিয়েছেন পাইলট স্মিথ মছার — তিনি ককপিটের দরজা খুলে ফ্লাইদুবাইয়ের দ্বিতীয় পাইলট জোড়াকে উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সৌদি আরবের তাবুকে অবতরণের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
- 📌 ৩০ সেকেন্ডে ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়েছিল উড়োজাহাজ — সহকারী পাইলটের হামলায় আহত মছারকে মাটিতে পড়ার আগে তিনি ককপিটের দরজা খুলে দিয়েছিলেন।
- 📌 ১১ বছর ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করছিলেন মছার — তিনি বলেছেন, ‘আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি ভেঙে পড়ছে’।
- 📌 ১০ মিনিটের ভিডিও কলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, ‘তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি অনেক প্রাণ বাঁচিয়েছে’।
- 📌 রক্তে ভেসে যাচ্ছিলেন মছার যখন ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন — ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি মেঝের ওপর পড়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, নাকে টিউব এবং মাথা ও হাতে ব্যান্ডেজ পরা অবস্থায় মছার হাসপাতালের বিছানা থেকে মোদির সঙ্গে কথা বলছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার চোখ মুছছেন। মছার বলেন, ‘আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে...আমি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি নিজেকে বলেছিলাম, দরজাটি ঠিক ওখানেই আছে, শুধু এটা খুলে দাও। আমি তা করতে পেরেছিলাম এবং লোকেরা ভেতরে ঢুকেছে’।
গত বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজে সহকারী পাইলটের হামলায় মছার আহত হন। ওই ঘটনার সময় উড়োজাহাজে ১৭৪ জন আরোহী ছিলেন। মছার ১৭ বছর ধরে উড়োজাহাজ চালাচ্ছিলেন এবং ১১ বছর ধরে ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি ভেঙে পড়ছে’।
মোদি পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, ‘তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি অনেক প্রাণ বাঁচিয়েছে এবং ভারতীয় পাইলটদের সুনাম রক্ষা করেছে’। আবেগাপ্লুত মছার বলেন, ‘আমি জানি, ঈশ্বর আমাকে বাঁচিয়েছেন’। মছার গুজরাটের বাসিন্দা।
"আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে...আমি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি নিজেকে বলেছিলাম, দরজাটি ঠিক ওখানেই আছে, শুধু এটা খুলে দাও। আমি তা করতে পেরেছিলাম এবং লোকেরা ভেতরে ঢুকেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আবুধাবি (হাসপাতাল), সৌদি আরবের তাবু (অবতরণ স্থান), ইসরায়েলের তেল আবিব (উড়োজাহাজের গন্তব্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্মিথ মছার (পাইলট), নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী), বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন (আরোহী), ৩০ সেকেন্ড (উড়োজাহাজের নিচে নেমে যাওয়া সময়), ১৪ হাজার ফুট (উড়োজাহাজের উচ্চতা), ১১ বছর (ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!