📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাঝ আকাশে পাইলট সংঘর্ষে ফ্লাইট হাইজ্যাক ভেবে ইসরায়েল যুদ্ধবিমান পাঠায়, অবশেষে সৌদি আরবে অবতরণ

মাঝ আকাশে পাইলট সংঘর্ষে ফ্লাইট হাইজ্যাক ভেবে ইসরায়েল যুদ্ধবিমান পাঠায়, অবশেষে সৌদি আরবে অবতরণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটে মাঝ আকাশে পাইলটদের মারামারি ঘটলে ইসরায়েল হাইজ্যাক ভেবে যুদ্ধবিমান পাঠায়। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবে অবতরণ করে

দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে পাইলটদের মারামারি ঘটলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হাইজ্যাকিংয়ের ভয়ে যুদ্ধবিমান পাঠায়। বিমানটি শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবে অবতরণ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটে মাঝ আকাশে পাইলটদের মারামারি ঘটে, যার ফলে বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায় এবং ইসরায়েলের দিকে যাওয়ার পরিবর্তে সৌদি আরবে অবতরণ করে।
  • 📌 বিমানে ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে ২৭ জন শিশু।
  • 📌 ইসরায়েলি বিমানবাহিনী হাইজ্যাকিংয়ের ভয়ে যুদ্ধবিমান পাঠায় এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক করেন।
  • 📌 বিমানটি জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশের সময় স্কোয়াক কোড ৭৭০০ এবং ৭৫০০ পাঠায়, যা হাইজ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
  • 📌 শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবে নিরাপদে অবতরণ করে।

📰 বিস্তারিত

ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে পাইলটদের মারামারি ঘটলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হাইজ্যাকিংয়ের ভয়ে যুদ্ধবিমান পাঠায়। বিমানটি দুবাই বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে। বিমানের গন্তব্য ছিল তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিমানটি সেখানে সকাল প্রায় ৯টা ৩০ মিনিটে অবতরণের কথা ছিল।

উড্ডয়নের প্রায় ৯০ মিনিট পর, বিমানটি যখন জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করছিল, তখন সেটি স্কোয়াক কোড ৭৭০০ পাঠায়, যা জরুরি পরিস্থিতি নির্দেশ করে। এরপর বিমানটি ৭৫০০ কোড পাঠায়, যা অবৈধ হস্তক্ষেপ বা হাইজ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা বোঝায়। বিমানটি গতিপথ পরিবর্তন করে এবং সৌদি আরবের আকাশসীমায় প্রবেশ করে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রথমে ধারণা করে যে, বিমানটি হাইজ্যাক করা হয়েছে। এর ফলে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমান পাঠায়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক করেন। ইসরায়েল পুলিশের অপারেশনস বিভাগ অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে মিলে একটি যৌথ কমান্ড সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দেয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামিরও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

বিমানটি শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবে অবতরণ করে। বিমানের ভেতরে আসলে কী ঘটেছিল তা পরিষ্কার হয় যে, পাইলটদের মধ্যে মারামারি হয়েছিল। ফ্লাইদুবাই পরে নিশ্চিত করে যে, বিমানের দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে বিমানটি সৌদি আরবে অবতরণ করে।

"হাইজ্যাকিংয়ের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। পাইলট একটি জরুরি সংকেত চালু করেছেন। আমরা পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না, আর সেটিই উদ্বেগের বিষয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দুবাই বিমানবন্দর → জর্ডান → সৌদি আরব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির, ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলটরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন যাত্রী (২৭ জন শিশু), ৭টা ৫ মিনিটে উড্ডয়ন, ৯টা ৩০ মিনিটে নির্ধারিত অবতরণ সময়, ৯০ মিনিট পর জরুরি সংকেত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖