📌 ফিলিপাইন দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থানরত চীনা গবেষণা জাহাজ 'জিয়া হাই কে ৭'-কে নিজেদের বৃহত্তম কোস্টগার্ড জাহাজ ও উড়োজাহাজ পাঠিয়ে তাড়িয়ে দেয়। চীনা জাহাজটি ফিলিপাইনের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে অবৈধভাবে গবেষণা করছিল, যা বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্কের প্রশ্ন উঠিয়েছে
ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় বাতানেস প্রদেশের জলসীমায় অবস্থানরত চীনা গবেষণা জাহাজ 'জিয়া হাই কে ৭'-কে তাড়াতে ম্যানিলা নিজেদের সবচেয়ে বড় কোস্টগার্ড জাহাজ 'বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া' এবং একটি উড়োজাহাজ মোতায়েন করেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর, ২০২৬) এই পদক্ষেপের ফলে চীনা জাহাজটি অবৈধভাবে অবস্থানরত এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে চীনের একটি কোস্টগার্ড জাহাজও উপস্থিত হয়ে ফিলিপাইনের পদক্ষেপকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্র জে তারিয়েলা জানান, চীনা গবেষণা জাহাজ 'জিয়া হাই কে ৭' ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ফিলিপাইনের ইতবেয়াত দ্বীপের ৩৭ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবৈধভাবে অবস্থান করছিল।
- 📌 ফিলিপাইনের ৯৭ মিটার দীর্ঘ কোস্টগার্ড জাহাজ 'বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া' এবং একটি উড়োজাহাজ পাঠিয়ে চীনা জাহাজটির ১০০ গজের মধ্যে পৌঁছানো হয় এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
- 📌 চীনা জাহাজটি ফিলিপাইনের বোটগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, চীনের একটি কোস্টগার্ড জাহাজ উপস্থিত হয়ে ফিলিপাইনের জাহাজটিকে রেডিওতে পাল্টা সতর্কবার্তা দেয়।
- 📌 ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড বলেছে, 'জিয়া হাই কে ৭' একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জাহাজ হলেও চীনা সরকারের সরাসরি নিরাপত্তা উপস্থিতি বেইজিংয়ের সাথে এর সম্পর্কের প্রশ্ন উঠিয়েছে।
- 📌 বাতানেস এবং লুসোন প্রণালীর সাবমেরিন ক্যাবল এলাকায় চীনা জাহাজের গবেষণার প্রকৃতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
📰 বিস্তারিত
ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্র জে তারিয়েলা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে চীনা গবেষণা জাহাজ 'জিয়া হাই কে ৭' ফিলিপাইনের ইতবেয়াত দ্বীপের ৩৭ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ফিলিপাইনের দাবি, জাহাজটি নিজের আসল অবস্থান গোপন করে বাতানেস উপকূলে অবৈধভাবে ঘোরাফেরা করছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফিলিপাইন ৯৭ মিটার দীর্ঘ 'বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া' নামের কোস্টগার্ড জাহাজ এবং একটি উড়োজাহাজ পাঠিয়েছে।
তেরেসা মাগবানুয়া জাহাজটি চীনা জাহাজটির ১০০ গজের মধ্যে পৌঁছায় এবং একটি ছোট বোট নামিয়ে সেটির চারদিকে চক্কর দিয়ে রেডিওর মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠাতে থাকে। চীনা জাহাজটি বারবার ফিলিপাইনের বোটগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি সামাল দিতে চীনের একটি কোস্টগার্ড জাহাজ উপস্থিত হয়ে ফিলিপাইনের জাহাজটিকে রেডিওতে পাল্টা সতর্কবার্তা দেয়।
ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে। কারণ, 'জিয়া হাই কে ৭' একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জাহাজ হলেও চীনা সরকারের কোস্টগার্ডের সরাসরি উপস্থিতি বেইজিংয়ের সাথে এর সম্পর্কের প্রশ্ন উঠিয়েছে। বাতানেস এবং লুসোন প্রণালীর সাবমেরিন ক্যাবল করিডোরের কাছে তারা কী ধরনের তথ্য সংগ্রহ করছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
"জিয়া হাই কে ৭ একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জাহাজ। এর নিরাপত্তায় চীনা সরকারের কোস্টগার্ডের সরাসরি উপস্থিতি প্রমাণ করে যে বেইজিংয়ের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাতানেস প্রদেশ, ফিলিপাইন; দক্ষিণ চীন সাগর; ইতবেয়াত দ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জে তারিয়েলা (ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্র), চীনা কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ নটিক্যাল মাইল (চীনা জাহাজের অবস্থান), ৯৭ মিটার (ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড জাহাজের দৈর্ঘ্য), ১০০ গজ (তেরেসা মাগবানুয়া জাহাজের নিকটত্ব), ২৮ সেপ্টেম্বর (চীনা জাহাজের অবস্থান শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!