📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অক্টোবর ৭-এর পর পালিয়ে যাওয়ার সময় প্যালেস্টাইনিদের কী কী নিয়ে গিয়েছিল?

অক্টোবর ৭-এর পর পালিয়ে যাওয়ার সময় প্যালেস্টাইনিদের কী কী নিয়ে গিয়েছিল?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজা থেকে বিতাড়িত হবার সময় প্যালেস্টাইনিরা তাদের জীবনের মূল্যবান কিছু নিয়ে গিয়েছিলেন—কেউ কেউ বই, কেউ কেউ প্রিয় পোষা পশু, আবার কেউ কেউ সঙ্গীতের যন্ত্র। অক্টোবর ৭-এর পর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গাজায় ৭৪,০১৮ জন নিহত ও ১৭৫,০৭৯ জন আহত হয়েছে

গাজা থেকে বিতাড়িত হবার সময় প্যালেস্টাইনিরা তাদের জীবনের মূল্যবান কিছু নিয়ে গিয়েছিলেন—কেউ কেউ বই, কেউ কেউ প্রিয় পোষা পশু, আবার কেউ কেউ সঙ্গীতের যন্ত্র। অক্টোবর ৭-এর পর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গাজায় ৭৪,০১৮ জন নিহত ও ১৭৫,০৭৯ জন আহত হয়েছে। বিতাড়িতদের মধ্যে কেউ কেউ শুধু বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, আর কেউ কেউ তাদের জীবনের মূল্যবান কিছু নিয়ে গিয়েছিলেন—বই, পোষা পশু, সঙ্গীতের যন্ত্র বা স্মৃতিচিহ্ন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৭৪,০১৮ জন নিহত ও ১৭৫,০৭৯ জন আহত** হয়েছে গাজায় অক্টোবর ৭-এর পর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
  • 📌 **৫০০ বইয়ের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার** নিয়ে গিয়েছিলেন ৩০ বছর বয়সী ওমার আব্দেল হাকিম হামাদ, যিনি বিতাড়িত হয়ে ১৩ বার স্থান পরিবর্তন করেছেন।
  • 📌 **৩,০০০ বই যুদ্ধের সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার** করে তার ফিনিক্স গ্রন্থাগারকে ৭,০০০ বইয়ের করে তুলেছেন।
  • 📌 **শাহদ আবু খোসা** তার প্রিয় দুটি কুকুর লিলি ও ববি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু ববি খাদ্য সংকটে মারা গিয়েছিল।
  • 📌 **১৬ বছর বয়সী ইয়াসিন আল-কুবত** তার ওড (সঙ্গীত যন্ত্র) নিয়ে গিয়েছিলেন, যা পরে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির নিচ থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
  • 📌 **লিলি কুকুর** শাহদকে খাদ্য শেয়ার করত এবং তার নিরাপত্তা দেখত, বলেছিলেন শাহদ, “আমি তাকে পিছনে ফেলে যাবার ভাবনা কখনোই করিনি।”

📰 বিস্তারিত

গাজা স্ট্রিপে ইসরায়েলের যুদ্ধের শুরুতে অক্টোবর ৭, ২০২৩-এর পর থেকে হাজারো প্যালেস্টাইনিরা বিতাড়িত হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই শুধু বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু কেউ কেউ তাদের জীবনের মূল্যবান কিছু নিয়ে গিয়েছিলেন। ওমার আব্দেল হাকিম হামাদ, ৩০ বছর বয়সী একজন বইপাঠক, তার বাড়ি বেইত হানোনের সময় বিতাড়িত হওয়ার সময় তার ৫০০ বইয়ের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এই বইগুলো আমার পরিচয়ের অংশ। আমি ১৫ বছর বয়সে বই পড়া শুরু করেছি।”

ওমার তার বাড়ি থেকে ২০০ বই নিয়ে গিয়েছিলেন, বিশেষ করে পুরাতন ও বিরল বইগুলোকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি ভাবতাম যে আমি আর ফিরে আসবো না।” বিতাড়িত হয়ে গিয়ে তিনি গাজা সিটি থেকে মাগাজি শরণার্থী শিবিরে এসেছেন। তার ফিনিক্স গ্রন্থাগার এখন ৭,০০০ বইয়ের হয়ে উঠেছে, যার মধ্যে ৩,০০০ বই যুদ্ধের সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি ৪,০০০ বই কিনে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শাহদ আবু খোসা, ৩০ বছর বয়সী, তার বাড়ি থেকে তার দুটি কুকুর লিলি ও ববি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি কখনো লিলিকে পিছনে ফেলে যাবার ভাবনা করিনি। তিনি আমার পরিবারের অংশ।” লিলি খাদ্য সংকটে বেঁচে ছিল, কিন্তু ববি খাদ্য অভাবে মারা গিয়েছিল। শাহদ বলেছিলেন, “লিলি আমার খাদ্য শেয়ার করত এবং আমাকে নিরাপত্তা দিত। তিনি আমাকে ভয়াবহ সময়ে সাহায্য করতেন।” তিনি আশা করেছেন যে গাজার সব পোষা পশু নিরাপদ জায়গায় থাকবে, যেখানে তাদের খাদ্য, পানি এবং নিরাপদ ঘুমের ব্যবস্থা থাকবে।

১৬ বছর বয়সী ইয়াসিন আল-কুবত তার বাড়ি থেকে তার ওড (সঙ্গীত যন্ত্র) নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি এই যন্ত্রটি নিয়ে গিয়েছিলাম, কারণ এটি আমার জীবনের অংশ।” তার বাড়ি ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পরে তিনি যন্ত্রটিকে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির নিচ থেকে উদ্ধার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমি এখনও এটি বাজাই এবং শরণার্থী শিবিরের শিশুদেরকে শান্তি দিতে সাহায্য করি।”

"They are part of who I am"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা স্ট্রিপ, বেইত হানোন, গাজা সিটি, মাগাজি শরণার্থী শিবির, আল-জালা, তাল আল-হাওয়া, বেইত লাহিয়া, আজ-জাওয়াইদা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওমার আব্দেল হাকিম হামাদ, শাহদ আবু খোসা, ইয়াসিন আল-কুবত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪,০১৮ জন নিহত, ১৭৫,০৭৯ জন আহত, ৫০০ বই, ২০০ বই নিয়ে গিয়েছিলেন ওমার, ৭,০০০ বই ফিনিক্স গ্রন্থাগারে, ৩,০০০ বই উদ্ধার করা, ১৩ বার বিতাড়িত, ১৬ বছর বয়স ইয়াসিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖