📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফিলিস্তিনে ২০ বছর পর নির্বাচন স্থগিত: আব্বাস ঘোষণা করে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা

ফিলিস্তিনে ২০ বছর পর নির্বাচন স্থগিত: আব্বাস ঘোষণা করে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস ঘোষণা করেছেন, প্রথমবার ২০ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া ফিলিস্তিনি আইনসভার নির্বাচনকে সেপ্টেম্বর ২০২৭-এ স্থগিত করা হয়েছে। ইসরায়েলের নিরাপত্তা অবস্থা এবং নির্বাচন পরিচালনার অসুবিধার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস ২০ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম আইনসভার নির্বাচনকে আরও এক বছর স্থগিত করেছেন। তিনি একটি আদেশ জারি করে ঘোষণা করেছেন, আগামী নভেম্বর মাসে পরিকল্পিত আইনসভার নির্বাচনকে সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৭-এ অনুষ্ঠিত হওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাথে একত্রিত করে দিলেন। ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা সোমবার এই খবর প্রকাশ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২০ বছর পরের নির্বাচন স্থগিত**: মাহমুদ আব্বাসের আদেশে আইনসভার নির্বাচনকে সেপ্টেম্বর ২০২৭-এ স্থগিত করা হয়েছে, যা আগে নভেম্বর ২৮-এ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
  • 📌 **ইসরায়েলের বাধা**: ইসরায়েলের নির্বাচন উপকরণ প্রবেশ নিষিদ্ধ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশ বন্ধ এবং পশ্চিম তীর ও গাজা স্ট্রিপের অস্বস্তিকর অবস্থা নির্বাচন পরিচালনার জন্য অসম্ভব করে তুলেছে।
  • 📌 **রাষ্ট্রপতি আব্বাসের শাসন**: ৯০ বছর বয়সী আব্বাস ২০০৫ সাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে আছেন, তার মেয়াদ ২০০৯ সাল থেকে আদেশের মাধ্যমে বাড়িয়ে রাখা হয়েছে।
  • 📌 **ইসরায়েলের সমালোচনা**: ইসরায়েলের বিদেশ মন্ত্রী গিদিয়ন সার আব্বাসকে "আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা" করার জন্য সমালোচনা করেছেন।
  • 📌 **ফিলিস্তিনি নেতাদের আলোচনা**: ফিলিস্তিনি নেতারা নির্বাচনের আগে "জাতীয় আলোচনা" করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা নির্বাচনকে আরও স্থগিত করেছে।

📰 বিস্তারিত

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগঠন (পিএলও) এর নির্বাহী কমিটি সোমবার সকালে একটি সভায় অংশ নেয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়। তারা বলেছেন, ইসরায়েল-অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর এবং গাজা স্ট্রিপের বর্তমান অবস্থা নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং পশ্চিম তীরে বসতিবাসীদের সহিংসতা নির্বাচনকে অসম্ভব করে তুলেছে।

ওয়াফা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের কর্তৃত্বের করদাতা ট্যাক্স রিটার্নের ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছে এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের গাজা এবং পূর্ব জেরুজালেমে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। গাজায় পুনরুদ্ধার কাজের অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর প্রেরণে কোনো অগ্রগতি না হওয়াও এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই স্থগিতাজ্ঞাপন ফিলিস্তিনি নেতাদের অপরিবর্তিত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) বিশ্বাসযোগ্যতা আরও কমিয়ে দিয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থায়নকারী দেশগুলোও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।

ফিলিস্তিনি নেতারা ২০০৬ সালে শেষবারের মতো আইনসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তখন হামাস ফিলিস্তিনি জাতীয় মুক্ততা আন্দোলন ফাতহকে পরাজিত করেছিল। এই বিভাজন পরবর্তীকালে গাজায় হামাসের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করেছিল।

"আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা"

এছাড়াও, ফিলিস্তিনি নেতারা নির্বাচনের আগে "জাতীয় আলোচনা" করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা নির্বাচনকে আরও স্থগিত করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফিলিস্তিন (পশ্চিম তীর, গাজা স্ট্রিপ, পূর্ব জেরুজালেম), ইসরায়েল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ আব্বাস, গিদিয়ন সার, ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগঠন (পিএলও) নির্বাহী কমিটি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর (পরবর্তী নির্বাচন থেকে), ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর ১১ (নতুন নির্বাচন তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖