📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তান থেকে মার্কিন ডাক বিভাগের ১২৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির পিছনে গ্রেপ্তার অভিযুক্তের গুজব

পাকিস্তান থেকে মার্কিন ডাক বিভাগের ১২৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির পিছনে গ্রেপ্তার অভিযুক্তের গুজব

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তান থেকে মার্কিন ডাক বিভাগের ১২৬ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির পিছনে ফাহিম আকরাম নামের ৩৩ বছর বয়সী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি অনলাইনে জাল ডাকমাশুলের লেবেল বিক্রি করে বিপুল আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছিলেন।

পাকিস্তান থেকে মার্কিন ডাক বিভাগের (ইউএসপিএস) ১২৬ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির পিছনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) জানিয়েছে, ফাহিম আকরাম নামে ৩৩ বছর বয়সী একজন ব্যক্তিকে জাল ডাকমাশুলের লেবেল বিক্রি করে মার্কিন ডাক বিভাগকে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের খানেওয়াল এলাকার বাসিন্দা ফাহিম আকরামকে মার্কিন ডাক বিভাগের ১২৬ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 তিনি ‘লেবেলস ব্যাংক’ নামে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে ৫১ লাখেরও বেশি জাল ডাকমাশুলের লেবেল বিক্রি করতেন।
  • 📌 প্রতিটি লেবেলের দাম ছিল দুই ডলার, যা সরকারি নির্ধারিত ডাকমাশুলের তুলনায় অনেক কম ছিল।
  • 📌 মার্কিন ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি গত ২৮ সেপ্টেম্বর আকরামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।
  • 📌 পাকিস্তানেই তাঁর বিচার হবে কিনা, নাকি যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আতিফ আমির জানান, ফাহিম আকরামের বিরুদ্ধে মার্কিন ডাক বিভাগের বিপুল আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। তিনি ‘লেবেলস ব্যাংক’ নামে একটি অননুমোদিত ওয়েবসাইট পরিচালনা করতেন, যেখানে জাল ডাকমাশুলের লেবেল বিক্রি করা হত। এই লেবেল ব্যবহার করে গ্রাহকরা সরকারি নির্ধারিত ডাকমাশুলের তুলনায় অনেক কম খরচে পার্সেল পাঠাতে পারতেন। ফলে মার্কিন ডাক বিভাগের রাজস্বে বিপুল ক্ষতি হয়।

মার্কিন কৌঁসুলিদের তথ্য অনুযায়ী, আকরামের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ৫১ লাখেরও বেশি জাল লেবেল বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিটি লেবেলের দাম ছিল দুই ডলার, যা পার্সেলের ওজন, আকার বা গন্তব্যের উপর নির্ভর করতো না। এই জাল লেবেলের কারণে মার্কিন ডাক বিভাগের মোট আনুমানিক ক্ষতি হয়েছে ১২৬ মিলিয়ন ডলার।

তদন্তে জানা যায়, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। আকরাম নিজের নামে এবং তাঁর স্ত্রী, ভাই, বোন ও খালার নামে ১৬টি ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করতেন। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

"আমরা কয়েক সপ্তাহ ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে আকরামকে গ্রেপ্তার করেছি। তিনি পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে এই জাল কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।"

— আতিফ আমির, এনসিসিআইএ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের খানেওয়াল এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহিম আকরাম (৩৩ বছর), আতিফ আমির (এনসিসিআইএ কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৬ মিলিয়ন ডলার (ক্ষতি), ৫১ লাখ (জাল লেবেল), ১৬টি (ব্যাংক হিসাব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖