📌 পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জাতিসংঘে বলেছেন, মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। হুথি হামলাকে ‘নিন্দনীয়’ ঘোষণা করে তিনি সৌদি আরবের সাথে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’র প্রতিশ্রুতিকে জোরদার করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেছেন, সহযোগিতা হতে পারে গোয়েন্দা তথ্য থেকে শুরু করে সামরিক সহায়তাও
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জাতিসংঘের অধিবেশনে মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা করে সৌদি আরবের হুথি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুসলিমদের পবিত্র শহর দু’টির নিরাপত্তা কোনো অবস্থায়ও হুমকির মুখে পড়তে পারবে না। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি হুথি হামলাকে ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মক্কা-মদিনা ‘রেড লাইন’**: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জাতিসংঘে বলেছেন, মুসলিমদের পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। এর ওপর কোনো হুমকি অগ্রাহ্য নয়।
- 📌 **হুথি হামলা ‘নিন্দনীয়’**: শেহবাজ শরিফ রিয়াদের দাবি অনুযায়ী ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর হামলাকে ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন।
- 📌 **ত্রিপক্ষীয় চুক্তির প্রতিশ্রুতি**: পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’-এ বলা হয়েছে, যেকোনো দেশের ওপর হামলা সবার ওপর হামলা। সামরিক প্রধানদের বৈঠকে এই চুক্তির কার্যকরীকরণে সম্মতি জানানো হয়েছে।
- 📌 **তুরস্কের সহযোগিতা পরিকল্পনা**: প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, সহযোগিতা হতে পারে গোয়েন্দা তথ্য থেকে শুরু করে সামরিক সহায়তা পর্যন্ত। হুমকির মাত্রা নির্ধারণ করেই সহযোগিতার ধরন নির্ধারণ হবে।
- 📌 **সৌদি আরবের নিরাপত্তা পর্যালোচনা**: সামরিক প্রধানদের বৈঠকে সৌদি আরবের সামনে থাকা হুমকি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। তিনি বলেন, “এই সীমা অতিক্রম করা যাবে না। মুসলিম বিশ্বের পবিত্র শহর দু’টির নিরাপত্তা কোনো অবস্থায়ও হুমকির মুখে পড়তে পারবে না।” তিনি হুথি হামলাকে ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং রিয়াদের দাবি অনুযায়ী ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর হামলাকে ‘জঘন্য মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন।
গত মাসে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’-এ বলা হয়েছে, যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। শুক্রবার রিয়াদে এই তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, সামরিক সমন্বয় এবং ‘মক্কা চুক্তি’র কার্যকরীকরণে সম্মতি জানানো হয়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সামরিক প্রধানরা সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও হুমকিগুলো পর্যালোচনা করেছেন এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নিউজউইক-এর একটি প্রতিবেদনে বলেছেন, সহযোগিতার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য, রসদ বা গোলাবারুদ সরবরাহ থাকতে পারে। তিনি বলেন, হুমকির মাত্রা নির্ধারণ করেই সহযোগিতার ধরন নির্ধারণ করা হবে। আরও বলেছেন, ব্যাপক সামরিক সহায়তাও হতে পারে। তবে সৌদি আরবকে তুরস্ক ও পাকিস্তান ঠিক কী ধরনের সহযোগিতা দিতে পারে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
"মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ‘রেড লাইন’। এই সীমা অতিক্রম করা যাবে না।"
"হুথি হামলাকে ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছি। রিয়াদের দাবি অনুযায়ী ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর হামলাকে ‘জঘন্য মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অধিবেশন), রিয়াদ (সামরিক প্রধানদের বৈঠক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেহবাজ শরিফ (পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী), রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান (তুরস্ক প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ সেপ্টেম্বর (জাতিসংঘে ভাষণ), ৩২:০০ পিএম (প্রকাশনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!