📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের সীমান্তে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মাছের জাল ব্যবহার করছে পুলিশ: কীভাবে কাজ করে এই নেট?

পাকিস্তানের সীমান্তে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মাছের জাল ব্যবহার করছে পুলিশ: কীভাবে কাজ করে এই নেট?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলার একটি পুলিশ চেকপোস্টে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মাছের জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তা ফয়্যাজ খান বলেছেন, নেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো ড্রোন হামলা ঘটেনি।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলার একটি পুলিশ চেকপোস্টে ড্রোন হামলা প্রতিরোধে একটি অপ্রত্যাশিত, কিন্তু কার্যকর সমাধান খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। সেখানে মাছ ধরার জাল ব্যবহার করে একটি বিশেষ নেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে, যা ড্রোন হামলার ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **হাঙ্গু জেলার সার্কি পিয়ালা পুলিশ চেকপোস্টে** ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মাছের জাল ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ড্রোনকে ধরে রাখতে বা বিস্ফোরণের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।
  • 📌 **এপ্রিল ১৬ তারিখে** পাকিস্তান তালিবান (টিটিপি) কর্তৃক পরিচালিত ড্রোন হামলায় পুলিশ চেকপোস্টে সাত ঘণ্টার লড়াই হয়েছিল, যার ফলে একটি আর্মার্ড ভ্যানের ড্রাইভার নিহত এবং একজন কনস্টেবল আহত হন।
  • 📌 **পুলিশ কর্মকর্তা ফয়্যাজ খান** বলেছেন, “আমরা যুদ্ধের মাঝে ছিলাম, তখনই জানতাম না কি করে বাড়ি ফিরতে পারবো।”
  • 📌 **একটি চেকপোস্টে নেট কভার করার খরচ** প্রায় ৪০০,০০০ পাকিস্তানি রুপি (১,৪৩৫ ডলার)।
  • 📌 **হাঙ্গু জেলার পুলিশ** বলেছেন, নেটিং সিস্টেমটি আরও পাঁচটি জেলায় (কোহাত, কারা, বানু, লাক্কি মারওয়াত ও দেরা ইসলাম খান) প্রসারিত হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলার সার্কি পিয়ালা পুলিশ চেকপোস্টে এপ্রিল ১৬ তারিখে পাকিস্তান তালিবান কর্তৃক পরিচালিত ড্রোন হামলায় সাত ঘণ্টার লড়াই হয়েছিল। এই হামলায় একটি আর্মার্ড ভ্যানের ড্রাইভার নিহত এবং পুলিশ কর্মকর্তা ফয়্যাজ খান আহত হন। ফয়্যাজ খান বলেছেন, “আমরা যুদ্ধের মাঝে ছিলাম, তখনই জানতাম না কি করে বাড়ি ফিরতে পারবো। আমাদের মধ্যে ভয় ছিল অনেক।”

ড্রোন হামলা প্রতিরোধে পুলিশ একটি অপ্রত্যাশিত সমাধান খুঁজে পেয়েছে। তারা মাছের জাল ব্যবহার করে একটি বিশেষ নেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যা চেকপোস্টের ছাদ এবং প্রাচীরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই নেটিং সিস্টেমের মূল উদ্দেশ্য হলো ড্রোনকে ধরে রাখা বা বিস্ফোরণের ক্ষতি কমিয়ে দেওয়া। পুলিশ কর্মকর্তা ফয়্যাজ খান বলেছেন, “যদি কোনো ড্রোন চেকপোস্টের উপর দিয়ে আসে, তাহলে নেটে ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ড্রোন ধরা পড়ে না এবং বিস্ফোরণ ঘটে, তবুও ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হবে, কারণ বেশিরভাগ শরবত এবং টুকরো বাতাসে ছড়িয়ে পড়বে, না পুলিশ কর্মীদের অবস্থানস্থলে সরাসরি পড়বে।”

হাঙ্গু জেলার পুলিশ কর্মকর্তা তরিক হাবিব বলেছেন, একটি চেকপোস্টে নেট কভার করার খরচ প্রায় ৪০০,০০০ পাকিস্তানি রুপি। তিনি আরও বলেছেন, পুলিশ এই নেটিং সিস্টেমটি আরও পাঁচটি জেলায় প্রসারিত করেছে, যেখানে ড্রোন হামলার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া, সামরিক বেসেও এই নেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।

"আমরা যুদ্ধের মাঝে ছিলাম, তখনই জানতাম না কি করে বাড়ি ফিরতে পারবো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সার্কি পিয়ালা পুলিশ চেকপোস্ট, হাঙ্গু জেলা, খাইবার পাখতুনখোয়া, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়্যাজ খান (পুলিশ কর্মকর্তা), তরিক হাবিব (পুলিশ কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০,০০০ পাকিস্তানি রুপি (১,৪৩৫ ডলার), ৩০ কিলোমিটার (আফগানিস্তান সীমান্ত থেকে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖