📌 পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ড্রোন হামলা থেকে পুলিশ চৌকি রক্ষার জন্য মাছ ধরার জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৬ এপ্রিলের হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা ও গাড়ি চালক নিহত হয়েছিলেন। জালের ব্যবস্থা নেওয়ার পর থেকে আর কোনো ড্রোন হামলা হয়নি বলে জানা গেছে
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় ড্রোন হামলা থেকে পুলিশ চৌকি রক্ষার জন্য একটি অদ্ভুত কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাছ ধরার জালের মতো একই ধরনের জাল পুলিশ চৌকির ছাদ ও সীমানা প্রাচীরের মধ্যে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা ড্রোন হামলাকে নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করছে। এই ব্যবস্থা নেওয়ার পর থেকে সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে আর কোনো ড্রোন হামলা হয়নি বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ এপ্রিল হাঙ্গু জেলার সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে ড্রোন হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা ফাইয়াজ খান ও গাড়ি চালক নিহত হন, এক কনস্টেবল আহত হন।
- 📌 তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) দায় স্বীকার করে এই হামলা। আফগানিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই চৌকি টিটিপির জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য।
- 📌 পুলিশ চৌকির ছাদ ও সীমানা প্রাচীরের মধ্যে মাছ ধরার জালের মতো জাল বসিয়ে ড্রোন হামলা রোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই জালের খরচ ৪ লাখ পাকিস্তানি রুপি (প্রায় ১ হাজার ৪৩৫ ডলার)।
- 📌 ৪০ বছর বয়সী ফাইয়াজ খান বলেন, জালের ব্যবস্থা নেওয়ার পর থেকে আর কোনো ড্রোন হামলা হয়নি। ড্রোন জালে আটকে গেলে বিস্ফোরণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে যায়।
- 📌 হাঙ্গু জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, জেলার অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ পুলিশ স্টেশনে এই জাল বসানোর কাজ চলছে। পাঁচটি জেলা—কোহাট, কারাক, বান্নু, লাক্কি মারওয়াত ও ডেরা ইসমাইল খান—এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
- 📌 সামরিক চৌকিতেও এই জালের ব্যবহার শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার টিটিপিকে নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
১৬ এপ্রিল হাঙ্গু জেলার সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে ড্রোন হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা ফাইয়াজ খান ও গাড়ি চালক নিহত হন। এক কনস্টেবল আহত হন। এই হামলায় টিটিপি দায় স্বীকার করে। চৌকিটি আফগানিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা টিটিপির জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য।
পুলিশ চৌকির ছাদ ও সীমানা প্রাচীরের মধ্যে মাছ ধরার জালের মতো জাল বসিয়ে ড্রোন হামলা রোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই জালের খরচ ৪ লাখ পাকিস্তানি রুপি (প্রায় ১ হাজার ৪৩৫ ডলার)। ফাইয়াজ খান আল জাজিরাকে বলেন, ‘ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। আমরা তখন যুদ্ধের মাঝখানে ছিলাম। সেই মুহূর্তে আমরা এটাও জানতাম না যে শেষ পর্যন্ত জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারব কি না।’
ফাইয়াজ খান আরও বলেন, ‘এখন কোনো ড্রোন চৌকির ওপর দিয়ে এলে জালে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে সেটি নিষ্ক্রিয় করা বা থামানো সম্ভব হতে পারে।’ জালের ব্যবস্থা নেওয়ার পর থেকে সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে আর কোনো ড্রোন হামলা হয়নি। হাঙ্গু জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, জেলার অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ পুলিশ স্টেশনে এই জাল বসানোর কাজ চলছে। পাঁচটি জেলা—কোহাট, কারাক, বান্নু, লাক্কি মারওয়াত ও ডেরা ইসমাইল খান—এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
সামরিক চৌকিতেও এই জালের ব্যবহার শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার টিটিপিকে নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে। তারা পাকিস্তানের ভূখণ্ডে সীমান্তের ওপার থেকে হামলা ঠেকাতে টিটিপিকে বাধা দেওয়ার দাবি করছেন।
"ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। কারণ, আমরা তখন যুদ্ধের মাঝখানে ছিলাম। সেই মুহূর্তে আমরা এটাও জানতাম না যে শেষ পর্যন্ত জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারব কি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাঙ্গু জেলা, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাইয়াজ খান (পুলিশ পরিদর্শক), তারিক হাবিব (পুলিশ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ পাকিস্তানি রুপি (১ হাজার ৪৩৫ ডলার), ৩০ কিলোমিটার, ১৬ এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!