📌 মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির পথ উন্মুক্ত বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ সরকারও এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশালতা বজায় রাখা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পাকিস্তান
- 📌 বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 📌 চুক্তিতে যোগ দিলে অর্থনৈতিক সুবিধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য প্রতিমন্ত্রীর
- 📌 তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিবেচনায় নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা অনুরোধ পাওয়া গেলে তা সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশালতা বজায় রাখা।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিলে তা দেশের স্বার্থ, অর্থনীতি ও জনগণের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের জোটে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে, যেমন সার্ক, বিমসটেক, ইন্দো-প্যাসিফিক, কোয়াড ও ব্রিকস।
তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধ-পরবর্তী আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক এই প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে। এর মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা। তিনি বলেন, ‘মক্কা প্যাক্ট মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ভাবনা থেকে এসেছে।’
"এই প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম শর্তই হলো—যদি একটি সদস্যদেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে সেটিকে তিনটি দেশই আক্রান্ত হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে। এটি শুধু সামরিক সহযোগিতার চুক্তি নয়, সদস্যদেশগুলোর অর্থনীতি ও জনগণের নিরাপত্তার লক্ষ্যেও এটি তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগ্রহী অন্য যে কোনো দেশের এতে যোগদানের সুযোগ রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাহির আন্দ্রাবি, শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ (সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!