📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া: কেন্দ্রীয় সরকারের গভর্নর শাসন কতদিন চলবে?

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া: কেন্দ্রীয় সরকারের গভর্নর শাসন কতদিন চলবে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করে গভর্নর শাসন চালু করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই-এর ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি প্রদেশ পরিচালনা করবেন। প্রশ্ন উঠেছে এই ব্যবস্থা কতদিন চলবে এবং কীভাবে প্রদেশের নির্বাচিত সরকার ফিরিয়ে আনা যাবে

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় (কেপি) কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি গত রোববার একটি ঘোষণাপত্রে সই করে জরুরি অবস্থা জারি করেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে প্রদেশের সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং গভর্নর শাসন চালু হয়। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানান, প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে আটক করা হয়েছে এবং গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি প্রদেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করে গভর্নর শাসন চালু করেছে।
  • 📌 সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই-এর ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে আটক করা হয়েছে।
  • 📌 গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি, পিপিপির নেতা, প্রদেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
  • 📌 প্রদেশের ১২টি সন্ত্রাস-প্রবণ জেলায় আলাদা সচিবালয় গঠন করা হয়েছে, যেখানে নির্বাহী কর্মকর্তারা বিচারিক দায়িত্বও পালন করতে পারবেন।
  • 📌 জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচিত সরকার কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকবে।

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করার পিছনে মূল কারণ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভয়াবহ পরিণতি থেকে নিরীহ মানুষকে রক্ষা করা উল্লেখ করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার ভাষ্যমতে, প্রদেশের সরকার সন্ত্রাস মোকাবিলায় যথেষ্ট দায়বদ্ধতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।

গতকাল সোমবার ঘোষিত সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও অ্যাডভোকেট জেনারেল অবিলম্বে পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। তবে লাহোরের আইনজীবী হাসান আবদুল্লাহ নিয়াজি বলেছেন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচিত সরকার কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকবে। জরুরি অবস্থা উঠে গেলে তাদের আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে হবে।

গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডিকে সহায়তা করবে ১১ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ। প্রদেশটিতে আগে থেকে মোতায়েন থাকা সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রদেশে ‘নজিরবিহীন মাত্রার সহিংস’ সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি বলেছেন, প্রদেশের ১২টি সন্ত্রাস-প্রবণ জেলায় আলাদা সচিবালয় গঠন করা হয়েছে। এসব জেলা আফগান সীমান্তসংলগ্ন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত। এসব এলাকায় বেশি অর্থায়ন ও মনোযোগ প্রয়োজন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও, এই ১২ জেলায় নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তারা বিচারিক দায়িত্বও পালন করতে পারবেন।

"জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচিত সরকার কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকবে। জরুরি অবস্থা উঠে গেলে তাদের আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে হবে।" — লাহোরের আইনজীবী হাসান আবদুল্লাহ নিয়াজি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খাইবার পাখতুনখাওয়া, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি, মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারা, আইনজীবী হাসান আবদুল্লাহ নিয়াজি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ, ১২টি জেলায় আলাদা সচিবালয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖