📌 পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবিতে ইসলামাবাদমুখী লং মার্চ স্থগিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি। জামায়াতের আমির হাফিজ নাঈম বলেছেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং অবস্থান কর্মসূচিও চলবে
পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবিতে ইসলামাবাদমুখী লং মার্চের পরবর্তী ধাপ স্থগিত করেছে। তবে দলটি আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করছে না। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন দলটির আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লং মার্চ স্থগিত: জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবিতে ইসলামাবাদমুখী লং মার্চের পরবর্তী ধাপ স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামী।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ: শেহবাজ শরিফের ফোনে অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান আমির হাফিজ নাঈম।
- 📌 আলোচনার আশা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন হাফিজ নাঈম। শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানে ফেরার পর বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে।
- 📌 আন্দোলন অব্যাহত: জামায়াতের অবস্থান কর্মসূচি এবং আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে না।
- 📌 ৫১০টি স্থানে অবস্থান: জ্বালানি দাম ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে জামায়াত দেশের ৫১০টি স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
- 📌 আইএমএফের প্রতিবন্ধকতা: সরকার পেট্রোলিয়াম লেভি কমানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে, কারণ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কর্মসূচির আওতায় প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মুলতানে এক সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ নাঈম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তাকে ফোন করে লং মার্চ স্থগিত করার অনুরোধ করেছেন এবং দলের নেতাদের আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবো’। শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানে ফেরার পর এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।
হাফিজ নাঈম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত মুলতানে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান কর্মসূচি চলবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দলটি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে না। তিনি বলেন, ‘যাই ঘটুক না কেন, আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব এবং অবস্থান কর্মসূচিও চলবে’।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা যথেষ্ট নয়। জ্বালানি তেলের দাম কমানো এবং পেট্রোলিয়াম লেভি বাতিলের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি জানান, পেট্রোলের দাম কমানোর লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে। তবে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মসূচির আওতায় পাকিস্তানের প্রতিশ্রুতি থাকায় পেট্রোলিয়াম লেভি কমানো সম্ভব নয়।
হাফিজ নাঈম জানান, লং মার্চের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলন সরকারের ওপর চাপ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী দেশের ৫১০টি স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। এর অংশ হিসেবে তারা দোকানপাট বন্ধ রাখার কর্মসূচিও পালন করেছে।
"আমরা অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবো। শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানে ফেরার পর এ বিষয়ে আলোচনা হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকিস্তান (মুলতান, ইসলামাবাদ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজ নাঈমুর রহমান (জামায়াত আমির), শেহবাজ শরিফ (পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১০টি অবস্থান কর্মসূচি, ২২ সেপ্টেম্বর (সিদ্ধান্তের তারিখ), ২৩ সেপ্টেম্বর (প্রকাশনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!