📌 পাকিস্তান সেনাবাহিনী বেলুচিস্তান প্রদেশে তিনদিনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ভারত ও আফগানিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় ৭১ সন্ত্রাসী নিহত বলে দাবি করেছে। আফগানিস্তান এই দাবিকে অস্বীকার করে নিজেদের সীমান্তে ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। পাকিস্তান বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বলে দাবি করেছে
পাকিস্তান সেনাবাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে তিনদিনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ভারত ও আফগানিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় ৭১ সন্ত্রাসী নিহত বলে দাবি করেছে। পাকিস্তানের এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে আফগানিস্তান এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে সীমান্ত পেরিয়ে আসা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তান বেলুচিস্তান প্রদেশে তিনদিনের অভিযানে ৭১ সন্ত্রাসী নিহত বলে দাবি করেছে, তাদেরকে ভারত ও আফগানিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে
- 📌 আফগানিস্তান দাবি করেছে, তাদের নুরিস্তান প্রদেশে অভিযানে ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছে, পাকিস্তানের এই দাবিকে ‘হাস্যকর ও অসত্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে
- 📌 পাকিস্তান বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে, যা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রমের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে
- 📌 পাকিস্তান আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে টিটিপি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, তাদের অভিযোগকে আফগানিস্তান প্রত্যাখ্যান করেছে
- 📌 খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাটে পুলিশ সদর দপ্তরে বিস্ফোরণ ও বন্দুক হামলায় ৩১ জন নিহত হয়েছিলেন, যার মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তান সেনাবাহিনী টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানিয়েছে, বেলুচিস্তান প্রদেশে তিনদিনের অভিযানে ৭১ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। পাকিস্তান এই সন্ত্রাসীদের ভারত ও আফগানিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় সক্রিয় বলে দাবি করেছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রমের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আফগানিস্তান এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে সীমান্ত পেরিয়ে আসা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। আফগানিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তানের এই অভিযোগ ‘হাস্যকর, ভিত্তিহীন ও সম্পূর্ণ অসত্য’।
পাকিস্তান নিয়মিতভাবে আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী তালেবান সরকারকে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। পাকিস্তান টিটিপিকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। তবে আফগানিস্তান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহারের পর এবং তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাটে একটি পুলিশ সদর দপ্তরে বিস্ফোরণ ও বন্দুক হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আফগানিস্তান থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ড্রোন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করার পর আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানায় পাকিস্তান। পাকিস্তান এসব হামলাকে ‘পরিকল্পিত, নির্ভুল, পরিমিত ও আনুপাতিক’ বলে বর্ণনা করেছে এবং হামলাগুলো শনাক্ত করা সামরিক স্থাপনাগুলোতেই চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।
"পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থার কোনো সম্পৃক্ততা নেই আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে। আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশ, আফগানিস্তানের নুরিস্তান প্রদেশ, খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাকিস্তান সেনাবাহিনী, আফগানিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১ জন নিহত সন্ত্রাসী, ২৮ জন আফগান নিহত, ৩২ জন আফগান আহত, ৩১ জন নিহত (পুলিশ সহ), ১৬ জন পুলিশ সদস্য নিহত, ১০টি স্থানে বিমান-ড্রোন হামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!