📌 ভারত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দাবি করা হাশিম মূসাকে নিহত বলে দাবি করেছিল। কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনী সংবাদ সম্মেলনে জীবিত ও সুস্থ মূসাকে হাজির করে ভারতের দাবিকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেয়। পাকিস্তানি মহাপরিচালক আহমেদ শরীফ চৌধুরী ভারতীয় 'ফলস-ফ্ল্যাগ' অভিযানকে লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেন
ভারতের দাবি উড়িয়ে দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মূসাকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে হাজির করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী গত ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলায় মূসাকে নিহত বলে দাবি করেছিল, কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী ভারতের এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে মূসাকে মঞ্চে হাজির করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তান সেনাবাহিনী সংবাদ সম্মেলনে জীবিত মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মূসাকে হাজির করে ভারতের হত্যার দাবিকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেয়
- 📌 ভারতীয় সেনাবাহিনী ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলায় মূসাকে নিহত বলে দাবি করেছিল, কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনী তার জীবিত অবস্থা প্রমাণ করে
- 📌 আহমেদ শরীফ চৌধুরী ভারতীয় 'ফলস-ফ্ল্যাগ' অভিযানকে 'লজ্জাজনক' বলে উল্লেখ করে পাঁচ দফা সময়রেখা তুলে ধরেন
- 📌 ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মূসাকে ২০২২-২০২৫ সালের মধ্যে কাশ্মীরে একাধিক হামলায় জড়িত বলে দাবি করেছিল
- 📌 মূসা নিজে বলেন, ভারতীয় নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন এসেছিল এবং তাঁকে 'শহীদ' বলে প্রচার করার চেষ্টা করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ভারতীয় সেনাবাহিনী গত ২২ এপ্রিল পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে নিহত বলে দাবি করেছিল। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল যে, এই ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মূসা এবং তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের (এসএসজি) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে মূসাকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় হাজির করে ভারতের দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
আহমেদ শরীফ চৌধুরী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবিকে 'তথাকথিত সন্ত্রাসী ঘটনা' বলে উল্লেখ করে বলেন, এটি ভারতীয় রাজনৈতিক ও সামরিক বাহিনীর সাজানো একটি 'ফলস-ফ্ল্যাগ' অভিযান। তিনি ঘটনাটির পাঁচ দফা সময়রেখা তুলে ধরেন। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, যৌথ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে তারা দাবি করে, অভিযানে 'সন্ত্রাসীর' মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই দাবি করে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় মোহাম্মদ আসিফ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে।
মূসা নিজে বলেন, আগের দিন তাঁর বন্ধুরা ফোন করে জানিয়েছিল যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিহত বলে প্রচার করা হয়েছে। তিনি জানান, তিনি জীবিত ও সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তিনি আরও বলেন, ভারতীয় নম্বর থেকে তাঁর কাছে একাধিক ফোন এসেছিল এবং ফোনকারীরা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাইছিল। পরে তিনি জানতে পারেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাঁকে কাশ্মীরের অভিযানে জড়িত বলে প্রচার করেছে।
"তিনি জীবিত এবং সুস্থ আছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমে যাকে নিহত হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, তিনি আসলে জীবিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকিস্তান (সংবাদ সম্মেলন), ভারতীয়-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর (পেহেলগাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী, মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মূসা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ (এপ্রিল), ২৯ (সেপ্টেম্বর), ৩০ (সেপ্টেম্বর), ২০২২-২০২৫ (হামলার বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!