📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: আমলাদের দেশত্যাগের পেছনে কী রহস্য? বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি কেন?

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: আমলাদের দেশত্যাগের পেছনে কী রহস্য? বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি কেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে জানান, দেশের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাচ্ছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেন যে, এই কর্মকর্তারা পাকিস্তানকে কেবল সাময়িক ঠিকানা হিসেবে দেখছেন কি না

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে দেশের আমলাতন্ত্রে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, গত কয়েক বছরে অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন। এসব কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্ব পালনকালীন অবস্থায়ই বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (পিআর) পেতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অভিযোগ করেছেন, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সরকারি দায়িত্ব পালনকালীন অবস্থায় বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছেন।
  • 📌 প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, পর্তুগালে স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা নিয়ে করা দাবির পক্ষে কোনো প্রামাণ্য নথি বা কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
  • 📌 খাজা আসিফ প্রশ্ন তুলেছেন যে, এই কর্মকর্তারা পাকিস্তানকে কেবল সাময়িক ঠিকানা হিসেবে দেখছেন কি না।
  • 📌 অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু প্রভাবশালী আমলা বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে সহায়তা পেয়েছেন। এমনকি স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার বিনিময়ে একজন ব্যক্তি বিপুল অর্থ নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এই কর্মকর্তারা রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ থেকে বৈধ ও অবৈধভাবে সম্পদ জমা করেছেন।

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক পোস্টে দেশের আমলাতন্ত্রে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, গত কয়েক বছরে পাকিস্তানের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন। এসব কর্মকর্তারা সরকারি দায়িত্ব পালনকালীন অবস্থায়ই বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আমলাদের ‘দেশত্যাগের’ অন্যতম গন্তব্য হয়ে উঠেছে পর্তুগাল। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন এবং এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানান, যেসব কর্মকর্তার নাম এসেছে, তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং পরপর বিভিন্ন সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এসব আমলা বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি (পিআর) জোগাড় করেছেন বা জোগাড় করার চেষ্টা করেছেন। এমনকি স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার বিনিময়ে একজন ব্যক্তি বিপুল অঙ্কের অর্থ নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

খাজা আসিফ প্রশ্ন তুলেছেন যে, এই কর্মকর্তারা পাকিস্তানকে কেবল সাময়িক ঠিকানা হিসেবে দেখছেন কি না। তিনি জানতে চান, পুরো কর্মজীবনে পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য নিয়ে তাঁদের নিজেদের ভেতর কোনো সংশয় ছিল কি না। তিনি বলেন, ‘এটি কি সব ধরনের সংশয় ও সন্দেহের ঊর্ধ্বে, নাকি তাঁরা কেবল যাত্রাপথে আছেন?’

"পাকিস্তানের আমলাতন্ত্রে দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা থাকলেও গত কয়েক বছরে অনেক কর্মকর্তা কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যান্য দেশকে স্থায়ী আবাস হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এসব কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্ব পালনকালীন অবস্থায়ই পরিকল্পিতভাবে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বড় অঙ্কের অর্থ (অনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖