📌 প্রশান্ত মহাসাগরের নিকুমারোরো দ্বীপে আবিষ্কৃত রহস্যময় বস্তুটিকে অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ মনে করা হলেও গবেষণা থেকে জানা যায়, এটি আসলে বড় বড় গাছের অবশিষ্টাংশ। গবেষকরা ৯০ বছরের পুরোনো রহস্যের সমাধান খোঁজার পরও নিশ্চিত প্রমাণ পাননি
প্রশান্ত মহাসাগরের নিকুমারোরো দ্বীপে আবিষ্কৃত রহস্যময় বস্তুটিকে অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ মনে করা হলেও গবেষকদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি বড় বড় গাছের অবশিষ্টাংশ প্রমাণিত হয়েছে। গবেষক দল সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই বস্তুটির সন্ধানে গিয়েছিলেন, কিন্তু আশা ভেঙ্গে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রশান্ত মহাসাগরের নিকুমারোরো দ্বীপে আবিষ্কৃত রহস্যময় বস্তুটি আসলে বড় বড় গাছের অবশিষ্টাংশ, নন অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের বিমান ধ্বংসাবশেষ
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা থেকে জানা যায়, ‘তারাইয়া অবজেক্ট’ নামে পরিচিত বস্তুটি সম্ভবত উপদ্বীপের বালুচরে জমা হওয়া গাছের সমষ্টি
- 📌 গবেষণা প্রকল্পের পরিচালক রিক পেট্রিগ্রিউ বলেন, ৯০ বছরের পুরোনো রহস্যের সমাধান এখনো অমীমাংসিত
- 📌 ১৯৩৭ সালে বিশ্ব প্রদক্ষিণের অভিযানে নিখোঁজ হন অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট ও তাঁর সহকারী ফ্রেড নুনান
- 📌 নিকুমারোরো দ্বীপ থেকে হাউল্যান্ড দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ৬৪৪ কিলোমিটার
📰 বিস্তারিত
প্রশান্ত মহাসাগরের কিরিবাতির নিকুমারোরো দ্বীপের তারাইয়া উপদ্বীপে একটি রহস্যময় বস্তু আবিষ্কৃত হয়েছিল। ২০২০ সালে স্যাটেলাইট চিত্রে প্রথম এই বস্তুটি চকচকে আকারে দেখা যায়। গবেষকদের মনে হয়েছিল, এটি হতে পারে অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্টের নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা থেকে জানা যায়, বস্তুটি আসলে বড় বড় গাছের অবশিষ্টাংশ। গবেষক দল সেখানে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংসাবশেষের বড় অংশ ভেঙে পানিতে ভেসে যায়। শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট ছিল মাত্র একটি অংশ, যা ‘Y’ অক্ষরের মতো দেখতে ছিল।
গবেষণা প্রকল্পের পরিচালক রিক পেট্রিগ্রিউ বলেন, “প্রায় ৯০ বছর ধরে এই রহস্যের সমাধান খোঁজা হচ্ছে, কিন্তু এখনো রহস্য অমীমাংসিত। দ্বীপটি যেন নিজের গোপনীয়তা আগলে রেখেছে। তবে একদিন এখানে নিখোঁজ বিমানের বিষয়ে চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।”
১৯৩৭ সালে বিশ্ব প্রদক্ষিণের অভিযানে নিখোঁজ হন অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট ও তাঁর সহকারী ফ্রেড নুনান। দুই ইঞ্জিনের লকহিড ইলেকট্রা বিমানে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়া পাড়ি দিয়ে তাঁরা পাপুয়া নিউগিনির লাই শহরে পৌঁছেছিলেন। সেখান থেকে হাওয়াই হয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় ফেরার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু জ্বালানি নেওয়ার জন্য হাউল্যান্ড দ্বীপে যাওয়ার পথে বিমানটি নিখোঁজ হয়। নিকুমারোরো দ্বীপ থেকে হাউল্যান্ড দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ৬৪৪ কিলোমিটার।
"প্রায় ৯০ বছর ধরে এই রহস্যের সমাধান খোঁজা হচ্ছে, কিন্তু এখনো রহস্য অমীমাংসিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিকুমারোরো দ্বীপ, প্রশান্ত মহাসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যামেলিয়া ইয়ারহার্ট, ফ্রেড নুনান, রিক পেট্রিগ্রিউ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৩৭ (বছর), ৯০ (বছর), ৬৪৪ (কিলোমিটার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!