📌 ভারতের পাঞ্জাবে বোরওয়েলে আটকে থাকা শিশুকে উদ্ধারের পুরোনো ভিডিওকে সামাজিক মাধ্যমে নেপালের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম, বয়স ও ঘটনার প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে দাবি করা হচ্ছে যে, নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন আটকে থাকার পর এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভিডিওটি আসলে ভারতের পাঞ্জাবে ঘটা একটি পুরোনো ঘটনার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি ভারতের পাঞ্জাবে ঘটা পুরোনো ঘটনার, নেপালের নয়
- 📌 ভিডিওটি সর্বপ্রথম শেয়ার করা হয় ১ সেপ্টেম্বর, দেখা হয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার বার
- 📌 ভারতের হোশিয়ারপুর জেলার চাক সামানা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছিল
- 📌 উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম গুরকারান সিং, বয়স ছিল ৪ বছর
📰 বিস্তারিত
১ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়, যেখানে দাবি করা হয় যে নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন আটকে থাকার পর এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ভিডিওটি সর্বাধিক শেয়ার করেছে ‘Seuli Dutta’ নামের একটি ফেসবুক পেজ। ভিডিওটি দেখা হয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার বার এবং এতে ২০ হাজার ৭০০ রিয়েকশন, ৩৩২ কমেন্ট ও ৬৬১ শেয়ার রয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে নেপালের সাম্প্রতিক ঘটনার কোনো মিল নেই। ভারতের গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ভিডিওটি আসলে ভারতের পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর জেলার চাক সামানা গ্রামের ঘটনা। সেখানে গুরকারান সিং নামের চার বছর বয়সী এক শিশু খেলতে গিয়ে ২০-৩০ ফুট গভীর এক খোলা বোরওয়েলে পড়ে যায়। পরবর্তীতে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় নয় ঘণ্টার দীর্ঘ উদ্ধার অভিযান শেষে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকা ছয় বছরের মনিষা মগার নামের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। তবে প্রচারিত ভিডিওটির সঙ্গে এই ঘটনার কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
"ভিডিওটি ভারতের পাঞ্জাবের ঘটনা, নেপালের নয়। উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম, বয়স ও ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের পাঞ্জাব ও নেপালের রাসুয়া জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গুরকারান সিং (৪ বছর), মনিষা মগার (৬ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ ৩ হাজার বার দেখা, ২০ হাজার ৭০০ রিয়েকশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!