📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হরমুজ হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়ের কারণে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ১০৪ ডলারে দাঁড়ায়

হরমুজ হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়ের কারণে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ১০৪ ডলারে দাঁড়ায়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়ের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৭৫ ডলারে ওঠে, যা গত ২ অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়ের কারণে ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ৮ অক্টোবর ১২:০৫ (জিএমটি) থেকে সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯২.২৮ ডলারে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪.৫৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৭৫ ডলারে দাঁড়ায় — গত ২ অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৪.৫৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.২৮ ডলারে ওঠে
  • 📌 হরমুজ প্রণালিতে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১২টি জাহাজ হামলা ঘটে — ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো উপসাগরে ট্রপিক্যাল স্টর্ম ‘ইসাইয়াস’-এর কারণে ২৫.০৮ শতাংশ তেল উৎপাদন বন্ধ
  • 📌 আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তেল মজুত বাজারে ছাড়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করলেও প্রভাব সীমিত

📰 বিস্তারিত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে ট্যাংকার জাহাজে হামলার ঘটনা। বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির আশপাশে ১২টি ট্যাংকারে হামলা বা হামলার চেষ্টা নথিভুক্ত হয়েছে। এটি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ ঘটনা।

যুক্তরাষ্ট্রেও সরবরাহ পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়ছে। মেক্সিকো উপসাগরে এগিয়ে আসা ট্রপিক্যাল স্টর্ম ‘ইসাইয়াস’-এর কারণে শেল ও শেভরন কোম্পানি তাদের উৎপাদন স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত মেক্সিকো উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় ২৫.০৮ শতাংশ তেল উৎপাদন এবং ১৬.৩৭ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন বন্ধ ছিল।

সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাজারে এর প্রভাব সীমিত হয়েছে।

"মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে তেলের বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর, যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো উপসাগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশ্লেষক, কর্মী, মার্কিন কর্তৃপক্ষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪.৭৫ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ৯২.২৮ ডলার (ডব্লিউটিআই তেল), ৪.৫৪ শতাংশ (বৃদ্ধি হার), ১২টি (জাহাজ হামলা), ২৫.০৮ শতাংশ (তেল উৎপাদন বন্ধ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖